শেয়ারFacebookWhatsApp

মানবকল্যাণ কথাটা আমরা সস্তা ও মামুলি বানিয়ে ফেলেছি কীভাবে? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর: মানব-কল্যাণের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি না করার ফলে আমরা একে সস্তা ও মামুলি বানিয়ে ফেলেছি । বর্তমান সমাজে মানুষ মানব-কল্যাণ কথাটিকে ক্ষুদ্রার্থে ব্যবহার করে শ্রী থাকে। এক মুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকেও তারা মানব-কল্যাণ বলে মনে করে থাকে। অথচ এতে মানুষের প্রকৃত কল্যাণ সাধিত হয় না; বরং মানব- মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করা হয়। মূলত মানব-কল্যাণের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি না করার কারণেই আমরা একে সস্তা ও মামুলি বানিয়ে ফেলেছি ।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : মানব-কল্যান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : মানব-কল্যান · সৃজনশীল

মানবকল্যাণ কথাটা আমরা সস্তা ও মামুলি বানিয়ে ফেলেছি কীভাবে? বুঝিয়ে লেখ।

উদ্দীপক

আমিত্বকে বলি দিয়ে স্বার্থ ত্যাগ কর যদি, পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি! নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা, মুছালে পরের অশ্রু ঘুচালে পরের ব্যথা! আপনাকে বিলাইয়া দীনদুঃখীদের মাঝে, বিদূরিলে পর দুঃখ সকালে-বিকালে-সাঁঝে! তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি, যা রুপিবে তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি!

Jessore · 2022

উত্তর

জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

উত্তর

মানব-কল্যাণের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি না করার ফলে আমরা একে সস্তা ও মামুলি বানিয়ে ফেলেছি । বর্তমান সমাজে মানুষ মানব-কল্যাণ কথাটিকে ক্ষুদ্রার্থে ব্যবহার করে শ্রী থাকে। এক মুষ্টি ভিক্ষা দেওয়াকেও তারা মানব-কল্যাণ বলে মনে করে থাকে। অথচ এতে মানুষের প্রকৃত কল্যাণ সাধিত হয় না; বরং মানব- মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করা হয়। মূলত মানব-কল্যাণের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি না করার কারণেই আমরা একে সস্তা ও মামুলি বানিয়ে ফেলেছি ।

উত্তর

উদ্দীপকের কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে বর্ণিত মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াস নিয়ে কল্যাণময় পৃথিবী রচনার দিকটিকে প্রতিফলিত করেছে। 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক মানব-কল্যাণ ধারণাটির তাৎপর্য বিচারে সচেষ্ট হয়েছেন। তাঁর ধারণা— করুণাবশত দান-খয়রাত করা সংকীর্ণ মনোভাবের পরিচায়ক। এর বিপরীতে তিনি মনে করেন, । মানুষের সার্বিক মঙ্গলের প্রয়াসই হলো মানব-কল্যাণ। তাঁর বিশ্বাস, পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতা ও নিঃস্বার্থ মনোভাবই পারে মানুষের । প্রকৃত কল্যাণ সাধন করতে। উদ্দীপকে পৃথিবীতে মানুষের আগমনের প্রকৃত উদ্দেশ্য তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, মানুষ পৃথিবীতে কেবল নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতেই আসেনি; বরং অপরের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করে পারস্পরিক সহযোগিতাপূর্ণ একটি কল্যাণময় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য এসেছে। আর এর মাঝেই মানবজন্ম সার্থক হয়, মানুষ প্রকৃত সুখের দেখা পায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে বর্ণিত কল্যাণময় পৃথিবী রচনার ক্ষেত্রে পারস্পরিক সংযোগ ও সহযোগিতার দিক ইঙ্গিত করে ।

উত্তর

উদ্দীপকের কবিতাংশে কেবল আত্মস্বার্থ বিসর্জন দিয়ে পারস্পরিক সংযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে কল্যাণময় পৃথিবী রচনার কথা বলা হয়েছে, যা 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিফলন মাত্র । 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লেখক 'মানব-কল্যাণ' কথাটির স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। আরএটি করতে গিয়ে তিনি নানা বিষয়ের সমাবেশ ঘটিয়েছেন। তিনি দেখিয়েছেন, করুণার বশবর্তী হয়ে দানখয়রাত করলে কীভাবে মানব-মর্যাদার অপমান ঘটে। আমাদের সমাজ যে এরূপ উপলব্ধিহীন মানুষে ভরে আছে, সেটিও তিনি দৃষ্টান্ত দিয়ে দেখিয়েছেন। এছাড়া রাষ্ট্র, জাতি, সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীগত চেতনা কীভাবে প্রকৃত মানব- কল্যাণের অন্তরায় ঘটাচ্ছে, সে বিষয়টিও তিনি দেখিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি একটি আত্মমর্যাদাপূর্ণ জাতি গড়ে তোলার সহায়ক দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন। উদ্দীপকে পরার্থে আত্মস্বার্থ বিসর্জনের মাধ্যমে পারস্পরিক সাহায্য- সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমেই যে পৃথিবীতে সুখ লাভ সম্ভব এবং কল্যাণময় পৃথিবী রচনা সম্ভব, সে বিষয়টি তুলে ধরেছেন কবি। কবির মতে, নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে কারও জন্ম হয়নি বরং অন্যের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারলেই জীবন তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে । আলোচ্য প্রবন্ধে লেখক মানব-কল্যাণকে বলেছেন জাগতিক মানবধর্ম, যার সাথে মানব-মর্যাদার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। মানব মর্যাদা তখনই সার্বিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে, যখন সমাজের মানুষ মনুষ্যত্ববোধকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেবে এবং মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় অগ্রবর্তী হবে। এক্ষেত্রে উদ্দীপকে উল্লিখিত পরার্থে আত্মস্বার্থ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার দিকটিও অপরিহার্য। তবে প্রবন্ধ | অনুসারে এটিই মানব-কল্যাণ নিশ্চিতের একমাত্র উপায় নয়। লেখক মনে করেন, কেবল সদিচ্ছা থাকলেই মানব-কল্যাণ সম্ভব নয়। মানুষের সার্বিক মুক্তির জন্য ব্যক্তির নিজের যেমন ভূমিকা রয়েছে, তেমনি রয়েছে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রসহ সামাজিক সকল প্রতিষ্ঠানের । প্রবন্ধে এছাড়াও কল্যাণময় পৃথিবী রচনায় লেখক গুরুত্ব দিয়েছেন মুক্তবুদ্ধির চর্চার ওপর, যার ফলে সুপরিকল্পিত, যুক্তিপূর্ণ একটি সমাজ নির্মাণ সম্ভব। উদ্দীপকে প্রবন্ধের এ দিকগুলো তুলে ধরা হয়নি। তাই বলা যায়, কবিতাংশটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের আংশিক প্রতিফলন ।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : মানব-কল্যানJessore
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.লেখকের মতে, মানব-কল্যাণের কোন রূপ দেখার জন্য দূরদূরান্তে যাওয়ার প্রয়োজন নেই?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.আবুল ফজল কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম যুগান্তকারী আন্দোলনের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাতা আবুল ফজল কোন সরাসরি যুক্ত ছিলেন?

ঢাকা বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'ওপরের হাত' বলতে কাকে বুঝিয়েছেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.আবুল ফজল অন্যদের সঙ্গে মিলে কী প্রতিষ্ঠা করেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.লেখকের মতে, সমস্যা যত বড় আর যত ব্যাপকই হোক না কেন, তার মোকাবিলা করতে হবে কীভাবে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্বঅবয়বে প্রতিফলিত হয়ে কী সৃষ্টি করে?

কুমিল্লা বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'ওপরের হাত সব সময় নিচের থেকে শ্রেষ্ঠ'- কথাটি কে বলেছেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.করুণার বশবর্তী হয়ে দান-খয়রাতের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি কী?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.প্রতিটি মানুষের কল্যাণ কীসের সাথে সম্পর্কিত?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'মানবতন্ত্র' প্রবন্ধটির লেখক কে?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লালনকে কী বলা হয়েছে?

বরিশাল বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

লেখকের মতে, মানব-কল্যাণের কোন রূপ দেখার জন্য দূরদূরান্তে যাওয়ার প্রয়োজন নেই?আবুল ফজল কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?মুসলিম সাহিত্য সমাজের অন্যতম যুগান্তকারী আন্দোলনের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাতা আবুল ফজল কো'ওপরের হাত' বলতে কাকে বুঝিয়েছেন?আবুল ফজল অন্যদের সঙ্গে মিলে কী প্রতিষ্ঠা করেন?লেখকের মতে, সমস্যা যত বড় আর যত ব্যাপকই হোক না কেন, তার মোকাবিলা করতে হবে কীভাবে?দান বা ভিক্ষা গ্রহণকারীর দীনতা তার সর্বঅবয়বে প্রতিফলিত হয়ে কী সৃষ্টি করে?'ওপরের হাত সব সময় নিচের থেকে শ্রেষ্ঠ'- কথাটি কে বলেছেন?করুণার বশবর্তী হয়ে দান-খয়রাতের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি কী?প্রতিটি মানুষের কল্যাণ কীসের সাথে সম্পর্কিত?'মানবতন্ত্র' প্রবন্ধটির লেখক কে?মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লালনকে কী বলা হয়েছে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।