উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের নিজেকে জানা এবং অন্তরে সত্যকে উপলব্ধি করার দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
যা ন্যায়, যা সব মানুষের জন্য কল্যাণকর তাই সত্য। এই, সত্য কখনো খণ্ডিত হতে পারে না। এই সত্যকে হৃদয়ে ধারণ করলে শুভ চিন্তার উদয় হয়। আর এ চিন্তা থেকেই মানুষের মুক্তির পথ সুগম হয়।
উদ্দীপকে নিজেকে জানা এবং মিথ্যার আবরণ থেকে বেরিয়ে এসে সত্যের আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করার কথা বলা হয়েছে। এই সত্যকেই ধারণ করে পৃথিবীতে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিজেকে তৈরি থাকার প্রেরণাও পাওয়া যায়। একইভাবে লেখক তাঁর 'আমার পথ' প্রবন্ধে নিজের পথ বলতে সত্যের পথকেই নির্দেশ করেছেন। জীবনের যাত্রাপথে লেখক তাই সত্যকে শ্রদ্ধা জানান। আর যে পথ সেই সত্যের বিরোধী- লেখক সেই পথ অবলম্বন করতে চান না। কারণ মিথ্যার পথ বিভেদ, বৈষম্য, অন্যায়, সমস্যা ও সংকটে জর্জরিত। লেখক মনে করেন- যার হৃদয়ে সত্য নেই, যার হৃদয়ে মিথ্যা রয়েছে সে প্রতিনিয়ত মিথ্যার দাসত্ব করে এবং মিথ্যাকে ভয় পায়। উদ্দীপকেও সত্যের আলোয় স্বাধীনভাবে বাঁচার কথা বলা হয়েছে। এসব কারণে বলা যায়, উদ্দীপকের সঙ্গে 'আমার পথ' প্রবন্ধের হৃদয়ে সত্য ধারণের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।