“আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করাই উদ্দীপক আর 'আমার পথ' 'আমার পথ' প্রবন্ধের সারকথা আমি মনে করি।
আমার পথ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক আত্মশক্তি ও আত্মবিশ্বাসকে অনুধাবন করার প্রতি গুরুত্ব করেছেন। আত্মশক্তির মাধ্যমে পরাবলম্বনের শৃঙ্খল ভেঙে মানুষ উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হতে পারে। পরাবলম্বন আমারদের নিষ্ক্রিয় করে এবং মানসিক দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে।আত্মবিশ্বাসই ছিল নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ এর সাফল্যের রহস্য। তিনি অল্প কিছু সময় স্কুলে পড়ালেখার সুযোগ পান। দারিদ্র্যের কারণে ১৫ বছর বয়সেই তাকে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে হয়।কিন্তু তিনি একজন বড় মানের লেখক হতে চেয়েছিলেন এবং বিশ্বাস করতের নিয়মিত লেখালেখি চালিয়ে গেলে তিনি একদিন সফল হবেন।তাঁর এই বিশ্বাসই তাকে সাফল্যের চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছে দিয়েছে।
উদ্দীপক ও আমার পথ প্রবন্ধে আত্মবিশ্বাসে প্রত্যয়ী ব্যক্তিত্বকে আশা করা হয়েছে।প্রবন্ধে লেখক বলেন, নিজের সত্যকে অকপটে স্বীকার করতে আমাদের দ্বিধা করা উচিত নয়। অন্যের সমালোচনা ও কারো ভয়ে আপন সত্য প্রকাশ করতে পিছপা হওয়াটা অনুচিত।অসংকোচে সত্য প্রকাশ করা আমাদের স্বভাবধর্ম হওয়া উচিত।তবেই আমরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারব বলে লেখক মনে করে। আর উদ্দীপকেও বলা হয়েছে, আত্মবিশ্বাসে বলীয়ান হতে পারলেই জীবনে সাফল্য অনিবার্য। বার্নার্ড শ এর নিজের প্রতি বিশ্বাস ছিল বলেই তিনি দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সফল হতে পেরেছিলেন। তাই বলা যায়, আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করাই উদ্দীপক আর আমার পথ প্রবন্ধে সারকথা।