'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক স্বনির্ভর হয়ে সত্যকে ধারণ করে, মনুষ্যত্ব অর্জনের মাধ্যমে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন, যার প্রতিফলন আমরা উদ্দীপকেও দেখতে পাই ।
'আমার পথ' প্রবন্ধে সমাজ ও সমকাল পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে প্রাবন্ধিক দেখিয়েছেন যে, সুস্পষ্টভাবে নিজের বিশ্বাস আর সত্যকে প্রকাশ করতে না জানলে তৈরি হয় পরনির্ভরতা, আহত হয় আমাদের ব্যক্তিত্ব। পরাবলম্বন আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। আর প্রাবন্ধিক মনে করেন, এটিই সবচেয়ে বড়ো দাসত্ব। অন্তরে যাদের গোলামির ভাব, বাইরের গোলামি থেকে তাদের মুক্তি নেই। লেখক মুক্তির উপায় হিসেবে সত্য ও ন্যায়কে ধারণ করে মনুষ্যত্ব অর্জনের মাধ্যমে প্রতিটি মানুষকে জেগে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন ।
উদ্দীপকে সত্যকে ধারণ করে মনুষ্যত্ব অর্জনের দিকটি দেখাতে হয়েছে । আলম সাহেব আলোকিত মানুষ হয়ে অন্যদের মন আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছেন। মনুষ্যত্ব অর্জনের মাধ্যমে সংগঠনের প্রতিটি সদস্য সফল মানুষ হয়ে উঠেছে ।
প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক সকলকে আপন সত্তার প্রতি বিশ্বাসী হতে বলেছেন, যার পথ হবে নিরেট সত্য পথ। সমালোচনা ও লোকভয়কে তুচ্ছ করে আপন সত্য দ্বারা মনুষ্যত্ববোধের জাগরণ ঘটাতে পারলেই সকল বিরোধ ও অসাম্যের ইতি ঘটবে। উদ্দীপক ও গল্পে প্রাণপ্রাচুর্যের উৎসবিন্দু সত্যের উপলব্ধির কথাই বলা হয়েছে। আর এ সত্যের মাধ্যমে অর্জিত মনুষ্যত্ব মানুষকে আলোর পথ দেখাতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।