“উদ্দীপকের মূলভাব 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে আলোচিত প্রকৃত মানব কল্যাণকেই নির্দেশ করে।”- মন্তব্যটির যথার্থতা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: • উদ্দীপকের মূলভাব 'মানব কল্যাণ' প্রবন্ধে আলোচিত প্রকৃত মানব-কল্যাণকেই নির্দেশ করে— মন্তব্যটি যথার্থ। • মানুষের কল্যাণ সাধনের মধ্যে মানবজীবনের সার্থকতা নিহিত। অন্যের কল্যাণের কথা বিবেচনা না করে নিজের স্বার্থকেই যদি বড় মনে করা হয় তাহলে সেই জীবনের প্রকৃত অর্থে কোনো গুরুত্ব নেই । • উদ্দীপকের কবিতাংশে কবির পরোপকারী মনোভাব প্রতিফলিত হয়েছে। এ বিষয়টি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে প্রতিফলিত সত্যিকারের মানব-কল্যাণ বিষয়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। উভয় ক্ষেত্রেই নিঃস্বার্থ পরোকারের দিকটি ফুটে উঠেছে। আত্মকেন্দ্রিক স্বার্থচিন্তা মানুষকে সমাজের অন্যান্য মানুষের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। ফলে তার পক্ষে আর 'মহৎ কাজ করা সম্ভব হয় না। কাজেই সামাজিক জীব হিসেবে মানুষকে মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে হয়। একে অন্যের সুখ-দুঃখের ভাগী হতে হয়। 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে লেখক এই ঐক্যের দিকটির ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁর মতে বিভক্তিকরণের মনোভাব নিয়ে কারও কল্যাণ করা যায় না ।
HSC Bangla 1st Paper গদ্য : আমার পথ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : আমার পথ · সৃজনশীল
“উদ্দীপকের মূলভাব 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে আলোচিত প্রকৃত মানব কল্যাণক…
উদ্দীপক
সিলেট এমসি কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর