শেয়ারFacebookWhatsApp

“উদ্দীপকে যে দ্বিধা, ভয়, সংকোচের কথা বলা হয়েছে 'আমার পথ' প্রবন্ধে তা দূরীকরণের উপায়ও আছে।”- মন্তব্যটি যাচাই কর

উত্তর: “উদ্দীপকে যে দ্বিধা, ভয়, সংকোচের কথা বলা হয়েছে, পথ' প্রবন্ধে তা দূরীকরণের উপায়ও আছে।”- উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি যথার্থ । 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক সত্য পথের জয়গান গেয়েছেন। যে মানুষটির মূল শক্তি সত্য,সে কখনো ভুল পথে যেতে পারে না। সত্যের ধারা চালিত ব্যক্তির মনে প্রচন্ড আত্মবিশ্বাস থাকে। আর মিথ্যা কে পুঁজি করে চলা ব্যক্তিরা সবাই ভীত ও দুর্বল হয়ে থাকে। উদ্দীপকের কবিতাংশে দ্বিধা ও দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। সংকোচরর বিহ্বলতা নিজের অপমান বলে কবি মনে করেন। তাই তিনি সংকটের কল্পনাতে কখনো ম্রিয়মাণ হতে নিষেধ করেছেন। তিনি মনে করেন, নিজের মাঝে শক্তি সঞ্চয় করে নিজেকে জয় করার মাধ্যমে এটি দূর করা সম্ভব।। আলোচ্য প্রবন্ধেও এ দিকটি ফুটে উঠেছে। কিন্তু এর পাশাপাশি এখানে উঠে এসেছে এ সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়।উদ্দীপকে যে দ্বিধা ও সংকোচেরকথা বলা হয়েছে তা আমার পথ প্রবন্ধের চেতনাকে ধারণের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব। কেননা, লেখক প্রত্যেক মানুষকে পূর্ণ এক 'আমি'র সীমায় ব্যাপ্ত করতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে এক মানুষকে অপর মানুষের সঙ্গে মিলিয়ে হয়ে 'আমরা' উঠে চেয়েছেন। এই সত্যের উপলব্ধি ধারণ করলে সংকোচ দূর করা যায় সহজেই। তাছাড়া রুদ্র তেজে মিথ্যার ভয়কে জয় করে সত্যের আলোয় চিনে নিতে সাহায্য করে এই আমি সত্তা। মনুষ্যত্ববোধে জাগ্রত হওয়ার মাধ্যমেও এ সংকোচ দূর করা যায়। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : আমার পথ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : আমার পথ · সৃজনশীল

“উদ্দীপকে যে দ্বিধা, ভয়, সংকোচের কথা বলা হয়েছে 'আমার পথ' প্রবন্ধে ত…

উদ্দীপক

সংকোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান। সংকটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ- মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়- দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো, নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।

Rajshahi · 2022

উত্তর

'আমার পথ' প্রবন্ধে 'সম্মার্জনা' শব্দটি ভণ্ডামি, মেকি ও মিথ্যাকে মেজে-ঘষে পরিষ্কার করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

উত্তর

'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে আত্ম তথা নিজের ভেতরের সত্যকে জানতে বলেছেন । 'আমার পথ' প্রবন্ধের লেখকের মতে, নিজেকে চিনলে মানুষের মনে আপনা-আপনিই একটা জোর আসে যে, সে আপন সত্য ছাড়া আর কারো কাছে মাথা নত করে না। অর্থাৎ কেউই তাকে ভয় দেখিয়ে পদানত করতে পারে না। মানুষের উচিত তার ভেতরের শক্তিকে উপলব্ধি করা এবং আত্মপ্রত্যয়ী হওয়া। তবেই তার নিজের ওপর নিজের বিশ্বাস জন্মাবে । প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা এ কথাই বোঝানো হয়েছে ।

উত্তর

উদ্দীপকের কবিতাংশে মনের সংকোচ ও ভয় থেকে দূরে থাকার কথা বলা হলেও 'আমার পথ' প্রবন্ধে আত্মসত্য উপলব্ধির মাধ্যমে তা দূর করার উপায় বলে দেওয়া হয়েছে। 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল বিষয় হচ্ছে মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত করে গোটা মানবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা। এখানে লেখক পরাবলম্বনকে প্রগতির পথে বাধা বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি সার্থক জীবন গঠনে আত্মনির্ভরশীলতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, নিজে নিষ্ক্রিয় থেকে সফল হওয়া যায় না, বরং নিজের শক্তি ও যোগ্যতাকে লাগিয়েই সাফল্য নিশ্চিত করতে হয়। উদ্দীপকের কবিতাংশে দ্বিধা ও দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ লক্ষ করা যায়। সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান বলে কবি মনে করেন। তাই তিনি সংকটের কল্পনাতে কখনো ম্রিয়মাণ হতে নিষেধ করেছেন। নিজের মাঝে শক্তি সঞ্চয় করে নিজেকে জয় করার মাধ্যমে এটিদূর করা সম্ভব। কিন্তু আমার পথ প্রবন্ধে ব্যক্ত হয়েছে সত্যের উপলব্ধি, সত্যের প্রতি ভক্তি।সত্যকে গ্রহণ করে সত্যের আলোয় স্নাত হয়ে ব্যক্তিত্বের বিকাশ সাধন করে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রতি তাগিদ আরোপ করেছেন লেখক- যা উদ্দীপকের মূলভাবের সঙ্গে পার্থক্য নির্মাণ করে।

উত্তর

“উদ্দীপকে যে দ্বিধা, ভয়, সংকোচের কথা বলা হয়েছে, পথ' প্রবন্ধে তা দূরীকরণের উপায়ও আছে।”- উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি যথার্থ । 'আমার পথ' প্রবন্ধে লেখক সত্য পথের জয়গান গেয়েছেন। যে মানুষটির মূল শক্তি সত্য,সে কখনো ভুল পথে যেতে পারে না। সত্যের ধারা চালিত ব্যক্তির মনে প্রচন্ড আত্মবিশ্বাস থাকে। আর মিথ্যা কে পুঁজি করে চলা ব্যক্তিরা সবাই ভীত ও দুর্বল হয়ে থাকে। উদ্দীপকের কবিতাংশে দ্বিধা ও দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। সংকোচরর বিহ্বলতা নিজের অপমান বলে কবি মনে করেন। তাই তিনি সংকটের কল্পনাতে কখনো ম্রিয়মাণ হতে নিষেধ করেছেন। তিনি মনে করেন, নিজের মাঝে শক্তি সঞ্চয় করে নিজেকে জয় করার মাধ্যমে এটি দূর করা সম্ভব।। আলোচ্য প্রবন্ধেও এ দিকটি ফুটে উঠেছে। কিন্তু এর পাশাপাশি এখানে উঠে এসেছে এ সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়।উদ্দীপকে যে দ্বিধা ও সংকোচেরকথা বলা হয়েছে তা আমার পথ প্রবন্ধের চেতনাকে ধারণের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব। কেননা, লেখক প্রত্যেক মানুষকে পূর্ণ এক 'আমি'র সীমায় ব্যাপ্ত করতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে এক মানুষকে অপর মানুষের সঙ্গে মিলিয়ে হয়ে 'আমরা' উঠে চেয়েছেন। এই সত্যের উপলব্ধি ধারণ করলে সংকোচ দূর করা যায় সহজেই। তাছাড়া রুদ্র তেজে মিথ্যার ভয়কে জয় করে সত্যের আলোয় চিনে নিতে সাহায্য করে এই আমি সত্তা। মনুষ্যত্ববোধে জাগ্রত হওয়ার মাধ্যমেও এ সংকোচ দূর করা যায়। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : আমার পথ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.'কুর্নিশ' শব্দের অর্থ কী?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে কে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে আমরা পরাধীন যে কারণে-

দিনাজপুর বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.'মেকি' শব্দের অর্থ কী?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.'আমার পথ' প্রবন্ধের লেখক কী দুলিয়ে পথে বাহির হলেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'রুদ্র-মঙ্গল' কী ধরনের গ্রন্থ?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.আমার পথ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক নিজের পরিচয় দিয়েছেন কী হিসেবে?

দিনাজপুর বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.'আমার পথ' প্রবন্ধে নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যমান?

যশোর বোর্ড

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.'রাজবন্দির জবানবন্দি' কাজী নজরুল ইসলামের কী ধরনের রচনা?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কত বছর বয়সে কাজী নজরুল ইসলাম বাকশক্তি হারান?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'আমার পথ' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বিনয়ের চেয়ে সত্যের অহংকারকে উত্তম বলেছেন কেন?

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।