• উদ্দীপকের মূলভাব এবং 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূল ভাবার্থ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, উদ্দীপকের ভাবের সঙ্গে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূলভাবের সম্পূর্ণ সাদৃশ্য বিদ্যমান। এখানে কোনো বৈসাদৃশ্য নেই বললেই চলে।
• মানব-কল্যাণের মাধ্যমে মানুষের জীবনের প্রকৃত সফলতা অর্জিত হয়। মানুষ এ জগতে মানব-কল্যাণের মতো জাগতিক মানবধর্ম পালনের মধ্য দিয়ে নিজের জীবনকে মহৎ করে তোলে।
• উদ্দীপকে মানব-কল্যাণের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে মানুষের কল্যাণের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা উচিত। মানব-কল্যাণ করার মধ্য দিয়েই মানুষ প্রকৃত সুখ অনুভব করতে পারে। মানব-কল্যাণের এই দিকটি 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধে প্রস্ফুটিত হয়ে উঠেছে। যেখানে প্রাবন্ধিক মানুষের সার্বিক কল্যাণের জন্য প্রয়াস করেছেন। তিনি বলেছেন, মানুষকে সকল অবমাননাকর পরিস্থিতি থেকে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থায় উত্তরণ করাই হচ্ছে প্রকৃত মানব-কল্যাণ। এই মানব-কল্যাণ করতে গেলে মানুষকে অপরের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে হয়, যা উদ্দীপকের ভাবার্থের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মূলভাবের সাথে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের মূলভাবের সম্পূর্ণ সাদৃশ্য বিদ্যমান।