সাধারণ ব্যাংকিং পদ্ধতি ও দোকানের পদ্ধতির মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা করো।
উত্তর: সাধারণ ব্যাংকিং পদ্ধতি তথা বাণিজ্যিক ব্যাংকিং পদ্ধতি এবং উদ্দীপকে উল্লিখিত দোকানের পদ্ধতি তথা মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতি দুটির মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এ দুটি প্রায় সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী ব্যাংকিং পদ্ধতি। নিচে এ দুটি ব্যাংকিং পদ্ধতির মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা করা হলো। বাণিজ্যিক ব্যাংকিং পদ্ধতি হলো একটি চিরাচরিত ও অতি-পরিচিত ব্যাংকিং পদ্ধতি, যেখানে মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতি হলো একটি আধুনিক ব্যাংকিং পদ্ধতি। সাধারণ ব্যাংকিং পদ্ধতিতে একজন গ্রাহককে ব্যাংকের সাথে আর্থিক লেনদেন করতে হলে বিভিন্ন নিয়ম মেনে ব্যাংকে একটি এ্যাকাউন্ট খুলে ব্যাংকের গ্রাহক হতে হয়। কিন্তু মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে এরূপ কিছু করার প্রয়োজন পড়ে না। এ পদ্ধতিতে গ্রাহক তার মোবাইল ফোনের নম্বরটিকে একাউন্ট হিসেবে ব্যবহার করে ব্যাংকের সার্ভারের সহায়তায় টাকা-পয়সা লেনদেন করতে পারে। সাধারণ ব্যাংকিং পদ্ধতিতে ব্যাংকের সাথে আর্থিক লেনদেন করার জন্য স-শরীরে ব্যাংকের কোনো একটি শাখায় উপস্থিত হতে হয়। কিন্তু মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক ব্যাংকে উপস্থিত না হয়েও মোবাইল ফোনের সাহায্যে আর্থিক লেনদেন করতে পারে। সাধারণ ব্যাংকিং পদ্ধতিতে দূরে কাউকে টাকা পয়সা পাঠাতে সময় লাগে; কিন্তু মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে দ্রুত ও কম ব্যয়ে টাকা পাঠানো যায়। উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' এর বাবা জরুরি প্রয়োজনে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ছেলেকে দ্রুত টাকা পাঠাতে পারলেন। সাধারণ ব্যাংকিং পদ্ধতিতে ব্যাংকের একজন গ্রাহককে তার এ্যাকাউন্টের সর্বশেষ স্থিতি, ঋণ চাওয়া ইত্যাদি ব্যাপারে ব্যাংকে হাজির হতে হয়। মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে তাকে এ হয়রানির শিকার হতে হয় না। ঘরে বসেই তিনি তার এ্যাকাউন্টের সর্বশেষ স্থিতি জানতে ও ঋণ পেতে পারেন। তুলনামূলক বিচারে তাই বলা যায়, 'ক' এর বাবার অনুসৃত ব্যাংকিং পদ্ধতি প্রচলিত সাধারণ ব্যাংকিং পদ্ধতি থেকে উন্নত, সুবিধাজনক ও নিরাপদ।
HSC Economics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 1st Paper · সৃজনশীল
সাধারণ ব্যাংকিং পদ্ধতি ও দোকানের পদ্ধতির মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা করো।
উদ্দীপক
Rajshahi · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর