মুদ্রার পরিমাণ দ্বিগুণ হলে দামস্তর ও অর্থের মূল্যের ওপর যে প্রভাব পড়বে তা নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুণগত পদ্ধতির ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে মুদ্রার পরিমাণ দ্বিগুণ হলে অর্থের মূল্য হ্রাস পাবে। অর্থনীতিবিদ আরভিং ফিশারের মতে, অর্থের পরিমাণের সাথে দামস্তরের সম্পর্ক সমানুপাতিক হয়। আবার, দামস্তরের সাথে অর্থের মূল্য (Vm) এর সম্পর্ক হয় বিপরীত। এ অবস্থায় অর্থের পরিমাণ দ্বিগুণ হলে অর্থের মূল্য অর্ধেক হবে।উদ্দীপকে উল্লিখিত মোট বিহিত মুদ্রার পরিমাণ (M) ৬০০ কে দ্বিগুণ করলে ১,২০০ হবে। এছাড়া ব্যাংক মুদ্রার পরিমাণ (M [গণিত] ) = ৩০০ কে দ্বিগুণ করলে ৬০০ হবে। অর্থাৎ M = ১,২০০ এবং (M [গণিত] ) = ৬০০ হবে। ওপরের টেবিলে দেখা যায়, মুদ্রার পরিমাণ দ্বিগুণ করা হলে দামস্তর ১৮ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩৬ হয় অর্থাৎ দ্বিগুণ হয়েছে। আবার দামস্তর দ্বিগুণ হলে অর্থের মূল্য ০.০৫৬ থেকে কমে ০.০২৮ হয় অর্থাৎ অর্ধেক হয়েছে। ফলে অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে। উক্ত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গুণগত পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারে।যেসব পদ্ধতির দ্বারা কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থনীতির বিশেষ ক্ষেত্রে এবং বিশেষ উদ্দেশ্যে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে তাদেরকে গুণগত পদ্ধতি বলে। গুণগত পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে ঋণের রেশনিং, ভোগকারীর ঋণ নিয়ন্ত্রণ, ঋণের নগদাংশ পরিবর্তন, নির্বাচিত ক্ষেত্রে ঋণ নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকএসব পদ্ধতির মাধ্যমে বিশেষ ক্ষেত্রে বিশেষ উদ্দেশ্যে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। তাই বলা যায়, গুণগত নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিকেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
HSC Economics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 1st Paper · সৃজনশীল
মুদ্রার পরিমাণ দ্বিগুণ হলে দামস্তর ও অর্থের মূল্যের ওপর যে প্রভাব প…
উদ্দীপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর