উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার আর্থসামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন করো ।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থার আর্থসামাজিক প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মোবাইল ব্যাংকিং হলো শাখাবিহীন ব্যাংকিং। যেসব স্থানে ইন্টারনেটের সুবিধা নেই সেসব স্থানে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম দ্বারা অতি সহজে ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যায়। মোবাইল ব্যাংকিং-এর মোবাইলের মাধ্যমে .অ্যাকাউন্টের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানা যায়। এছাড়া হিসাব স্থানান্তর, লেনদেন, ঋণ চাওয়া প্রভৃতি কাজ করা যায়। মোবাইল ব্যাংকিং একটি অত্যন্ত সহজ এবং আধুনিক পদ্ধতি। উদ্দীপকে সিমা আক্তার মোবাইলের বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করে থাকেন। এ ছাড়াও তিনি জানতে পারলেন মোবাইলের মাধ্যমে মাসিক সঞ্চয় জমা করা যায়। অর্থাৎ তিনি মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে তার যাবতীয় লেনদেন করে না বরং আর্থসামাজিক কার্যাবলিও করেন। আর্থ- সামাজিক দিক থেকে মোবাইল ব্যাংকিং বর্তমানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ব্যাংকের শাখা নেই এমন স্থানে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা ও টাকা উত্তোলন করা যায়। মোবাইল ব্যাংকিং-এর কার্যক্রম হতে জনসাধারণ সহজেই হিসাবের অবস্থা যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময়ে জানতে পারে। ফলে সকলে এ ব্যাংকিং কার্যক্রমের সেবা গ্রহণ করতে চায়। এ ধরনের ব্যাংকিং আমানতকারীর পক্ষে সুবিধাজনক। এ ধরনের ব্যাংকিং খুব নিরাপদ এবং জালিয়াতির সম্ভাবনা খুব কম থাকে। মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে যেকোনো লেনদেন খুব কম খরচে ও দ্রুত করা যায়। তাই বলা যায়, মোবাইল ব্যাংকিং-এর আর্থসামাজিক প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
HSC Economics 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Economics 1st Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার আর্থসামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন ক…
উদ্দীপক
Barisal · 2022
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর