আমি মনে করি বাংলাদেশের আত্মকর্মসংস্থান ও নারীর ক্ষমতায়নে এনজিওদের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য তবে এ কার্যক্রম যথেষ্ট নয়। দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো (NGO) তাদের ঋণদান কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যাপকভিত্তিক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে। এনজিওসমূহ ক্ষুদ্রঋণ প্রদান ও তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে সামাজিকভাবে বঞ্চিত শ্রেণি, বিভিন্ন ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর কোটি কোটি মানুষ এ সুবিধা ভোগ করে দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়ন প্রভৃতি খাতে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে ধাবিত হচ্ছে। জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে নারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতায়ন, নারী নির্যাতন বন্ধ, নারী পাচার প্রতিরোধ, কর্মক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা বিধান এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল স্রোতধারায় নারীর পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাসহ নারীর সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে NGO-এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। স্বল্পোন্নত দেশের কাতারভুক্ত বাংলাদেশের মতো মাথাপিছু আয় রয়েছে এমন অন্য কোনো দেশ এ সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। সুতরাং দেখা যায় বাংলাদেশের আত্মকর্মসংস্থান ও নারীর ক্ষমতায়নে এনজিওদের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্য তবে যথেষ্ট নয়।