উদ্দীপকের আলোকে দেখা যায়, এখানে মূলধনের গতিশীলতা পরিলক্ষিত হয়। এখানে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক মি. লি পং এর ক্ষেত্রে মূলধনের যে গতিশীলতা পরিলক্ষিত হয়, তা হলো আন্তর্জাতিক, গতিশীলতা এবং জনাব রায়হানের ক্ষেত্রে অভ্যান্তরীণ গতিশীলতা । যখন একটি দেশে বাইরের কোনো-দেশ হতে মূলধন বিনিয়োগ করা,হয় -তখন ধরনের গতিশীলতাকে আন্তর্জাতিক গতিশীলতা বলে) জনাব লি পিং দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক কিন্তু সে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছে। জনাব রায়হান তার গ্রামের বিভিন্ন সম্পদ বিক্রি করে ঐ অর্থ শহরের উৎপাদনের কাজে বিনিয়োগ করে, যা অভ্যন্তরীণ গতিশীলতা। এখানে দেখা যাচ্ছে উভয় ধরনের গতিশীলতায় মূলধন গঠনে বিশেষভাবে সহায়তা করেছে। সাধারণ অর্থে মূলধনের স্থানান্তরকে মূলধনের গতিশীলতা বলে। একই মূলধন বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হতে পারে; এক শিল্প হতে অধিক লাভের আশায় অন্য শিল্পে নিয়োজিত হতে পারে কিংবা এক জায়গা হতে অন্য জায়গা । এভাবে মূলধনের এক কাজ ইতে অন্য কাজে ব্যবহার, এক শিল্প হতে অন্য শিল্পে ব্যবহার, এক দেশ বা অঞ্চল হতে অন্য দেশ বা অঞ্চলে স্থানান্তর মুলধনের গতিশীলতা । উদ্দীপকে দেখা যাচ্ছে, এখানে দুই ব্যক্তি মূলধন গঠনে দুটি গতিশীলতা কাজ করছে। সেই দুটি ক্ষেত্রে মূলধনের গতিশীলতা মূলধন গঠনে সাহায্য করেছে। তাই উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা বলুতে পারি, মূলধনের গতিশীলতা মূলধন গঠনকে প্রভাবিত করে ।