উদ্দীপকে মূলধনের শিল্পগত গতিশীলতা, ভৌগোলিক গতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক গতিশীলতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
মূলধনের গতিশীলতা বলতে মূলধনের স্থানান্তরের প্রবণতাকে বোঝায়। এটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে, এক শিল্প থেকে অন্য শিল্পে বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর হতে পারে। অর্থাৎ, মূলধনের ভৌগোলিক, শিল্পগত এবং আন্তর্জাতিক গতিশীলতা রয়েছে। এই গতিশীলতা অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে জামাল সাহেব তার গাজীপুরের পোলট্রি খামারটি বিক্রয় করে। সেই টাকায় ডেমরায় প্লাস্টিকের পণ্যসামগ্রী তৈরির জন্য ভবন নির্মাণ করেন। এখানে, পোলট্রি শিল্প থেকে প্লাস্টিক শিল্পে মূলধন স্থানান্তরিত হওয়ায় এটি শিল্পগত গতিশীলতা নির্দেশ করে। আবার, গাজীপুর থেকে ডেমরায় মূলধন স্থানান্তরিত হওয়ায় এটি ভৌগোলিক গতিশীলতা নির্দেশ করে। এছাড়াও, ব্যাংক ও বৈদেশিক সংস্থা হতেও ঋণ গ্রহণ মূলধনের আন্তর্জাতিক গতিশীলতা বা বহির্মুখী গতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। সুতরাং, উদ্দীপকে মূলধনের শিল্পগত, ভৌগোলিক এবং আন্তর্জাতিক গতিশীলতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।