আমরা জানি, মূলধন গঠন বলতে একটি পরিমাণে মূলধন সামগ্রী উৎপাদন বৃদ্ধি প্রক্রিয়াকে বোঝায়। যে প্রক্রিয়ায় অধিক পরিমাণে মূলধন সামগ্রী বৃদ্ধি পায় তা হলো মূলধন প্রক্রিয়া। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট বছরের তুলনায় পরবর্তী বছরে যে পরিমাণ মূলধন অর্থনীতির সাথে সংযোজিত হয় তাকে মূলধন গঠন বলে।
মনে করি, t সময়ে কোনো দেশের মূলধনের পরিমাণ Kt এবং (t + 1) সময়ে মূলধনের পরিমাণ K(t+1)। তাহলে মূলধন গঠন (KF) = K(t+1) - Kt তবে এখানে উল্লেখ্য যে, মূলধন গঠনের ক্ষেত্রে মূলধন সামগ্রীর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হয়। অর্থাৎ অবচয়মূলক ব্যয় (Depreciation cost) বাদ দিয়ে মূলধন বৃদ্ধির পরিমাণ বিবেচনা করতে হয়।
∴ সূত্রাকারে লিখলে, KF = K(t+1) - Kt - Dc;
এখানে, Dc = অবচয়মূলক ব্যয়
উদ্দীপকের রহমান সাহেব ৪০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন। প্রথম বছর আয় করেন ১২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রথম বছর তার মোট গঠন ১২,৮০,০০০ টাকা। এখন সামগ্রীর ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় ৯৫,০০০ কোটি টাকা ধরা হলে, প্রকৃত বা নিট মূলধন গঠনের পরিমাণ হবে (১২,৮০,০০০ - ৯৫,০০০) কোটি বা ১১,৮৫০০০ কোটি টাকা।