বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে ভারসাম্য জাতীয় আয়ও বাড়বে।
ভারসাম্য জাতীয় আয় সামগ্রিক চাহিদা ও সামগ্রিক যোগানের সমতাকরণের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে বিনিয়োগ ব্যয় বাড়লে সামগ্রিক চাহিদা বা ব্যয় বৃদ্ধি পায়। ফলে ভারসাম্য জাতীয়ও বৃদ্ধি পায়। আবার বিনিয়োগ বাড়লে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মোট উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। ফলশ্রুতিতে দেশের জাতীয় আয়ও বাড়ে।
উদ্দীপকে কোনো দেশের আয় (Y), সঞ্চয় (S) এবং বিনিয়োগ (I) এর বিভিন্ন পরিমাণ দেওয়া আছে। প্রদত্ত তথ্যানুসারে, বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়ে 400 হলে জাতীয় আয়ের 1200 স্তরে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ পরস্পর সমান হয়। তাই ভারসাম্য জাতীয় আয় হলো 1200। এটি চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো-
উপরের চিত্রে প্রাথমিক ভারসাম্য জাতীয় আয় 800 এককে বিনিয়োগ 200। এখন, বিনিয়োগ বেড়ে 400 হলে বিনিয়োগ রেখা ওপরে স্থানান্তর হয়ে, হয়। ফলে সঞ্চয় (S) রেখাকে F বিন্দুতে ছেদ করে। অর্থাৎ F বিন্দুতে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ পরস্পর সমান হয়। এক্ষেত্রে নতুন ভারসাম্য জাতীয় আয় দাঁড়ায় 1200 একক। এটি প্রাথমিক ভারসাম্য জাতীয় আয় থেকে বেশি। পরিশেষে বলা যায়, বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে ভারসাম্য জাতীয় আয় বাড়বে।