মি. N মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতির সাথে জড়িত।
মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করার সুবিধাযুক্ত যে সেবা, তাকে মোবাইল ব্যাংকিং বলে। স্থানীয় এজেন্টের মাধ্যমে খুব সহজেই গ্রাহক তার মোবাইল নাম্বারের বিপরীতে ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে একটি মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট খুলতে পারে। মোবাইল ব্যাংকিং এর উদাহরণ হলোঃ রকেট, বিকাশ, নগদ, উপায়, মাই ক্যাশ ইত্যাদি। মোবাইল ব্যাংকিং এর চারটি সুবিধা হলোঃ
(১) মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে যেকোনো ইউটিলিটি বিল যেমনঃ পানি, গ্যাস, ইলেকট্রিসিটি, ইন্টারনেট বিল পরিশোধ করা যায়।
(২) ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কত টাকা ব্যালেন্স আছে এবং কি পরিমাণ অর্থাৎ কত টাকার লেনদেন হয়েছে তা জানা যায়।
(৩) এক অ্যাকাউন্ট থেকে জন্য অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে পারে। তবে এই সুবিধা একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
(৪) মোবাইল রিচার্জ, ট্রেনের টিকেট, ফ্লাইট টিকেট সহ অন্যান্য কাজও সহজে করতে পারে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত মি. N একটি ব্যাংকিং অর্থাৎ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে দ্রুততার সাথে লেনদেন করতে পারেন, যার ফলে তিনি নগদ অর্থ বহন করার ঝুঁকি হ্রাস করতে পেরেছেন এই মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে। এমনকি তিনি সহজে টাকা জমা রাখতে পারেন। তাই বলা যায়, মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এবং অন্যান্য কাজও সম্পাদন করে।