কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণত গুণগত ও পরিমাণগত এ দুটি পদ্ধতিতেই বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
যে প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক সৃষ্ট ঋণের পরিমাণের সংকোচন বা সম্প্রসারণ ঘটিয়ে থাকে সে প্রক্রিয়াকেই পরিমাণগত ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বলে। আর যেসব পদ্ধতির দ্বারা কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থনীতির বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এবং বিশেষ বিশেষ উদ্দেশ্যে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে তাদেরকে গুণগত ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বলে । এক্ষেত্রে পরিমাণগত ঋণ নিয়ন্ত্রণ ঋণদাতার ওপর আর গুণগত ঋণ নিয়ন্ত্রণ ঋণ গ্রহীতার ওপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
উদ্দীপকে 'ক' দেশে মহামারির কারণে মূল্যস্তর অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক হার বৃদ্ধি, খোলাবাজারে ঋণপত্র বিক্রি এবং নগদ জমার হার বাড়িয়ে দেয়, যা পরিমাণগত ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিকে নির্দেশ করে। আবার ঋণের রেশনিং, বন্ধকী ঋণের নগদাংশ পরিবর্তন এবং নৈতিক প্ররোচনা চালায় যা গুণগত ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিকে নির্দেশ করে।