উদ্দীপকে বর্ণিত মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থার সাথে সনাতন পদ্ধতির ব্যাংকব্যবস্থার মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য লক্ষ করা যায়।মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন সম্পাদনা করাই হলো মোবাইল ব্যাংকিং। এ পদ্ধতিতে গ্রাহকরা খুব সহজেই, গ্রাম বা শহরের যেকোনো স্থানে টাকা পাঠানো, টাকা জমা বা উত্তোলন এবং যেকোনো বিল পরিশোধ করতে পারে। অন্যদিকে, সনাতন ব্যাংকিং ব্যবস্থা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ এবং শ্রমসাধ্য ব্যাংকিং ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে কোনো লেনদেন করতে হলে অনেকপথ অতিক্রম করে ব্যাংকে যাওয়া লাগত এবং এ পদ্ধতির ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজন হতো বড় বড় নথিপত্রের।উদ্দীপকে গার্মেন্টসকর্মী রূপালি মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে খুব সহজেই গ্রামে তার বাবা-মায়ের জন্য টাকা পাঠাতে পারে। কিন্তু সনাতন পদ্ধতিতে টাকা পাঠানো ও উত্তোলন করা খুবই জটিল ও শ্রমসাধ্য।মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এখন ঘরে বসেই দেশের যেকোনো অঞ্চলে অঞ্চলে টাকা পাঠানো যায়। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতিতে টাকা পাঠাতে হলে সুদূর শহরে অবস্থিত ব্যাংকে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না।অর্থাৎ প্রত্যন্ত এলাকায় মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে লেনদেন যত সহজ হয়েছে সনাতন পদ্ধতিতে অনেক নথিপত্র সংরক্ষণ করা লাগত। কিন্তু মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে কোনো নথিপত্রের প্রয়োজন হয় না। সনাতন পদ্ধতিতে গ্রাহকের স্বাক্ষর ছাড়া টাকা উত্তোলন সম্ভব নয়। আর মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে শুধুমাত্র পিনকোড জানা থাকলেই টাকা উত্তোলন করা সম্ভব। সনাতন ব্যাংকিং পদ্ধতিতে নগদ অর্থ বহনের প্রয়োজন হতো কিন্তু মোবাইল ব্যাংকিং এ তার কোনো প্রয়োজন নেই।