মি. সিরাজুল যে ব্যাংকে কাজ করেন সেই ব্যাংক তথা কেন্দ্রীয় ব্যাংক গুণগত ও পরিমাণগত উপায়ে অন্যান্য ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সকল ব্যাংকের প্রধান ব্যাংক। কিছু নির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণদান ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। প্রত্যেক আবেদনকারী কি পরিমান ঋণ পাবে, ঋণদান এর ক্ষেত্রে কোনো পরিমাণগত বৈশিষ্ট্য সৃষ্টির প্রয়োজন আছে কিনা, জামানতের বিপরীতে কি পরিমাণ ঋণ পাবে ইত্যাদি সবকিছু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারণ করা নীতিমালার অধীনে হয়ে থাকে। দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এগুলোর মধ্যে গুণগত নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি গুলো হলো ঋণের রেশনিং, নৈতিক প্ররোচনা, বন্ধকী ঋণের নগদাংশ পরিবর্তন ইত্যাদি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন দেশে ঋণের পরিমাণ কমাতে চায়, তখন ব্যাংক হার বাড়ায। এর ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধানযোগ্য সুদের হার বাড়ে। আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণের পরিমাণ বাড়াতে চাইলে ব্যাংক হার কমিয়ে দেয়। এ প্রেক্ষিতে ব্যাংকগুলো তাদের সুদের হার কমিয়ে দেয়। এর ফলে ঋণের চাহিদা বাড়লে ঋণের পরিমাণও বাড়েতাই বলা যায়, ব্যাংক হার, নগদ জমার অনুপাত ইত্যাদির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণদান ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। ।