উদ্দীপকের সভ্যতাটি দ্বারা সিন্ধু সভ্যতার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো :
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম নগর সভ্যতা হচ্ছে সিন্ধু সভ্যতা। এই সভ্যতা সিন্ধু নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল। এটিকে মহেঞ্জোদারো বা হরপ্পা সভ্যতাও বলা হয়। এই সভ্যতায় সুশৃংখল নগর জীবন গড়ে উঠেছিল। সিন্ধু সভ্যতায় চলাচলের জন্য প্রশস্ত রাস্তা, রাস্তার পাশে সারিবদ্ধ ল্যাম্পপোস্ট, পয়:নালা, স্নানাগার, শস্যাগার, কূপ, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে যা একটি পরিকল্পিত নগরীকে নির্দেশ করে। এই নিদর্শনগুলোর মাধ্যমে বুঝা যায়, এখানে উন্নত নাগরিক জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সকল উপস্থিত ছিল। ১৯২২ সালে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক জন মার্শালের নেতৃত্বে খনন কার্যের মাধ্যমে সিন্ধু সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার হয়।
উদ্দীপকেও যে সভ্যতার কথা বলা হয়েছে সেখানে, কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা, প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা একজন পুরোহিত রাজা। এখানে বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা-অর্চনা করা হতো। সামাজিক শ্রেণী অনুযায়ী ইটের তৈরি বাড়ি, পাকা রাস্তা, নর্দমা, গোসলের পুকুর, গোলাঘর ইত্যাদির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সভ্যতাটি দ্বারা সিন্ধু সভ্যতার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।