উক্ত যুগ তথা নব্যপ্রস্তর যুগের আবিষ্কারগুলো আধুনিক যুগে উত্তরণকে ত্বরান্বিত করেছে। প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
নব্যপ্রস্তর যুগের নানা আবিষ্কার সমাজ ও সভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। নব্যপ্রস্তর যুগের প্রধান আবিষ্কারের মধ্যে পশু পালন ও কৃষিকাজ অন্যতম। এ যুগেই প্রথম বীজ বপন, গাছ লাগানো, ফসল কাটা এবং তা প্রক্রিয়াকরণ করে কৃষিকাজের সূচনা করে। সেই থেকে আধুনিক যুগের কৃষিতে আমুল পবির্তন আসে। এছাড়াও নব্যপ্রস্তর যুগে মানুষ মৃতপাত্র আবিষ্কারসহ আগুন জ্বালানো ও ব্যবহারের কৌশল আয়ত্ত্ব করে।
নব্যপ্রস্তর যুগের আরেকটি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হলো চাকা। এই চাকা আবিষ্কারের মাধ্যমে যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভাবনীয় সাফল্য আসে। যার ফলশ্রুতিতে আধুনিক যুগ উত্তরণের পথ সহজ হয়। নব্য প্রস্তর যুগে স্থায়ী বসবাস তৈরির মাধ্যমে মানুষের যাযাবর জীবনের সমাপ্তি ঘটে। এর ফলে গ্রামের বিকাশ ঘটে। এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন জায়াগায় গ্রামের উদ্ভব ঘটতে থাকে, এভাবে স্থায়ী ও বৃহৎ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।
সুতরাং, উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, "নব্য প্রস্তরযুগের আবিষ্কারগুলো আধুনিক উত্তরণকে ত্বরান্বিত করেছে।"-উক্তিটি প্রাসঙ্গিক।