উদ্দীপকে উল্লিখিত উদাহরণ হলো বই। বই দিয়ে সংস্কৃতির দুটি।
প্রকরণ তথা বস্তুগত ও অবস্তুগত সংস্কৃতি উভয়কেই বোঝানো যাবে বলে আমি মনে করি। 1 বস্তুগত সংস্কৃতি বলতে বাস্তব বস্তু দ্রব্যনির্ভর সংস্কৃতিকে বোঝায়। যে সংস্কৃতি মানুষের নির্মিত বস্তু-দ্রব্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাকে বস্তুগত বা পার্থিব বা Material সংস্কৃতি বলে। আর বই মানুষের নির্মিত বস্তু হওয়ায় এটা বস্তুগত সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, অবস্তুগত সংস্কৃতি বলতে মানুষের ধ্যানধারণা, চিন্তাভাবনা, চলনবলন, রীতিনীতি, মূল্যবোধ, আবেগ, উচ্ছ্বাস ইত্যাদিকে বোঝায়, উৎপাদন কৌশল যেমন বস্তুগত সংস্কৃতির একটি বিশেষ দিক, তেমনি কাব্য, সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, শিল্পকলা ইত্যাদি বিষয়গুলো অবস্তুগত সংস্কৃতির একেকটি বিশেষ দিক। আর বইতে সাধারণত মানবসৃষ্ট কাব্য, সাহিত্যকর্ম স্থান পায়। তাই বইয়ের মধ্যে যে কাব্য বা সাহিত্যকর্ম থাকে সেটা অবস্তুগত সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত।
সুতরাং এটা স্পষ্ট যে, বই এর উদাহরণ দিয়ে সংস্কৃতির দুটি প্রকরণের উভয়কে বোঝানো যায়।