গ্রামের মানুষের বদলাতে না চাওয়া অবস্তুগত সংস্কৃতি (Non- material Culture) কে নির্দেশ করে।
সংস্কৃতি হলো মানুষের সামগ্রিক জীবনপ্রণালি। বলা হয়ে থাকে মানুষ সংস্কৃতির কয়েদি। সংস্কৃতির যে অংশ অদৃশ্য তথা উপলব্ধির উপর নির্ভরশীল তাই অবস্তুগত সংস্কৃতি। অর্থাৎ, মানুষের চিন্তাভাবনা, রীতিনীতি, মূল্যবোধ, আবেগ-উচ্ছ্বাস প্রভৃতি অবস্তুগত সংস্কৃতির আওতাভুক্ত। এছাড়াও মানুষের সব বিমূর্ত সৃষ্টি যেমন- ভাষা ও সাহিত্য, বিজ্ঞান, আইন, নীতি, আদর্শ, ইত্যাদিকেও অবস্তুগত সংস্কৃতি বলা হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রতনপুর গ্রামের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার আধুনিক সুবিধা সম্বলিত হাসপাতাল তৈরি করলেও গ্রামের মানুষ ঝাড়-ফুঁক, তাবিজ-কবজের মাধ্যমে চিকিৎসা নিতে বেশি আগ্রহী। তাদের বিশ্বাস এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা নিলে তারা ভালো হয়ে যাবে। গ্রামের মানুষের এ ধরনের বিশ্বাস উপরে আলোচিত অবস্তুগত সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সুতরাং, গ্রামের মানুষের বদলাতে না চাওয়ার বিষয়টি অবস্তুগত সংস্কৃতিকে নির্দেশ করে।