উদ্দীপকের খাজা খায়ের উদ্দিনের দেওয়া তথ্যে ষোল আনা বাঙালিয়ানা বলতে সংস্কৃতির ভাষা ও খাদ্যাভ্যাসের যে তথ্য ফুটে উঠেছে তা হচ্ছে এদেশের জারি-সারি, ভাটিয়ালি, নবান্ন উৎসব, যাত্রাপালা ইত্যাদি।
তাছাড়া বাঙালিদের খাদ্য হিসেবে ভাত, মাছ, ডাল, শাক, ভর্তা, পানি-পানতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের সংস্কৃতির 'গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হচ্ছে ভাষা। আমাদের রাষ্ট্রীয় ভাষা বাংলা। বাংলাদেশের মানুষ মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য চলিত বাংলা এবং আঞ্চলিক বাংলায় কথা বলে থাকে। অফিস-আদালতে চলিত বাংলা ভাষা ব্যবহার করা হয়। তবে কখনো কখনো অফিস-আদালতেও একই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে কথা বলার সময় আঞ্চলিকতার প্রভাব লক্ষ করা যায়। বাংলাদেশের সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান দখল করে আছে এদেশের মানুষের খাদ্যাভ্যাস। বাংলাদেশের মানুষকে বলা হয়, মাছে- ভাতে বাঙালি। কেননা, এদেশের মানুষের প্রধান খাদ্য হচ্ছে ভাত ও মাছ। তাছাড়া ডাল, গোশত, ফলমূল, শাকসবজি, দুধ, দই, ঘি, খির, পিঠা, পায়েস, খৈ, মুড়ি, মোয়া, মুড়কি, ছাতু, আচার, আমসত্ত্ব ইত্যাদি বাংলাদেশের মানুষের খাবারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।
উপরিউল্লিখিত সংস্কৃতির উপাদানসমূহ গ্রাম বাংলার মানুষকে বাঙালিয়ানা বজায় রাখতে যথেষ্ট সহায়তা করেছে। আর এগুলোই বাঙালি সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে অধিক সমাদৃত।