চিত্র-১-এ গ্রামীণ বাসস্থানের সংস্কৃতির ইঙ্গিত রয়েছে।
চিত্র-১ এর সংস্কৃতির ধরন নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- বাংলাদেশের গ্রামের বেশিরভাগ ঘরবাড়িই টিনের এবং বাঁশের তৈরি। গ্রাম অঞ্চলে বাড়িঘরগুলো সাধারণত টিন, বাঁশ, ছন, কাঠ ইত্যাদ্দি দিয়ে তৈরি। তবে বর্তমানে আধাপাকা, পাকা বাড়িও তৈরি হচ্ছে। গ্রামে দোচালা ও চৌচালা ঘরের প্রাধান্য পরিলক্ষিত হয়। শোবার ঘরের পাশেই থাকে রান্নাঘর ও গোয়ালঘর। টয়লেট শোবার ঘর থেকে একটু দূরে তৈরি করে। হিন্দু-মুসলমান সবাই বৈচিত্র্যময় বাড়িঘর নির্মাণ করে। পর্দা রক্ষার জন্য মুসলমানগণ বাড়ির দরজায় কাপড়ের পর্দা ব্যবহার করে। তাছাড়া বাড়ির আসবাবপত্র ও তৈজসপত্রেও হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে স্বাতন্ত্র্য বৈশিস্ট্য ফুটে ওঠে। মুসলমানরা সাধারণত মাটি, চিনামাটি এবং টিনের তৈরি বাসনপত্র ব্যবহার করে। কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায় সাধারণত পিতলের কলসি, কাঁসার খালা ও তৈজসপত্র বেশি পছন্দ করে। হিন্দুরা তাদের ঘরে সাধারণত দেবদেবীর ছবি এবং মুসলমানরা সাধারণত ধর্মীয় বাণী ফ্রেমে বাঁধাই করে ঘরের বিভিন্ন স্থানে বা দেয়ালে টানিয়ে রাখে। বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতি ঐতিহ্যবাহী, আদি ও স্থায়ী। তবে বর্তমানে শিল্পায়ন ও শহরায়নের ফলে গ্রামীণ সংস্কৃতিও ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের চিত্র-১ এর সংস্কৃতির ধরনের বাসস্থান সংস্কৃতির ইঙ্গিত করা হয়েছে।