উদ্দীপকে চায়না ও সোমেশ্বরের সমাজে পরিবার ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার ব্যবস্থায় মৌলিক পার্থক্যগুলো বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে চায়না ও সোমেশ্বরের সমাজ তথা গারো ও মণিপুরিদের পরিবার ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার ব্যবস্থায় কতিপয় মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান। গারো পরিবার মাতৃসূত্রীয়। তাদের মধ্যে সম্পত্তি ও বংশনাম মাতৃধারায় তথা মা থেকে মেয়েতে বর্তায়। গারো দম্পতি স্ত্রীর বাবার বাড়িতে বসবাস করে। অর্থাৎ সেখানে মাতৃবাস নীতি অনুসরণ করা হয়। পরিবারের সমস্ত সম্পত্তির মালিক স্ত্রী। তবে ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকেন স্বামী। সাধারণত মায়ের মৃত্যুর পর কনিষ্ঠ কন্যা বা নোকনা সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করে। রীতি অনুযায়ী নোকনার অন্যান্য বোনেরা মায়ের কাছ থেকে কোনো সম্পত্তি পায় না। যারা সম্পত্তি পায় না তাদের এগেট বলা হয়। অন্যদিকে মণিপুরিদের পরিবার পিতৃতান্ত্রিক। এদের সমাজে পিতাই সর্বেসর্বা। সন্তানের পরিচয় এবং সম্পত্তির উত্তরাধিকার পিতার সূত্র ধরে নির্ণীত হয়। ছেলেরা পিতার সম্পত্তি সমানভাবে পেলেও মেয়েরা পিতার সম্পত্তিতে কোনো অংশ পায় না। তবে পিতা ইচ্ছা করলে সম্পত্তির কিছু অংশ মেয়েকে দানস্বরূপ দিতে পারেন। উল্লেখ্য, কোনো ছেলে না থাকলে সম্পত্তির মালিক হয় মেয়েরা, আর নিঃসন্তান কোনো দম্পতির মধ্যে স্বামী আগে মারা গেলে বিধবা স্ত্রী যত দিন বেঁচে থাকবে তত দিন স্বামীর পুরো সম্পত্তি ভোগ করবে। তবে তার বিক্রি করার কোনো অধিকার নেই। বিধবা স্ত্রী মারা গেলে ওই সম্পত্তির মালিক হয় মৃত ব্যক্তির ভাইয়েরা। উপরে আলোচিত গারো ও মণিপুরি নৃগোষ্ঠীর তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায়, সম্প্রদায় দুটির পরিবার ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার ব্যবস্থায় মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।
HSC Sociology 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে চায়না ও সোমেশ্বরের সমাজে পরিবার ও সম্পত্তির উত্তরাধিকার ব্…
উদ্দীপক
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর