উদ্দীপকে চিত্র-২ দ্বারা সাঁওতাল সমাজের সালিশ ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
সাঁওতাল সমাজের মূলভিত্তিই হলো গ্রাম পঞ্চায়েত। সাঁওতাল গ্রাম কয়েকটি বৃত্তে বিভক্ত থাকে । প্রতিটি বৃত্তের তত্ত্বাবধান করেন একজন 'পঞ্চায়েত'। যার অধীনে থাকে কয়েক একর নিষ্কর ভূমি। প্রতিটি গ্রামেই 'পঞ্চায়েত' রয়েছে। পঞ্চায়েত পরিচালনার জন্য সাতজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি থাকেন। তারা হলেন— মান্যহি, জগমান্যহি, পড়েৎ, পারাণিক, জগ পারাণিক, নায়কে ও কুডাম নায়কে । জানগুরু পঞ্চায়েত সদস্য নয়, তাকে তান্ত্রিক ও ধর্মগুরু হিসেবে গণ্য করা হয়। 'মানযহি' বা 'মাঝি' হলেন গ্রামপ্রধান। তার একজন সহকারীও নির্বাচন করা হয়ে থাকে । তার নেতৃত্বেই গ্রামের যাবতীয় কার্যকলাপ সম্পাদিত হয়। উদ্দীপকের চিত্র-২ এ গ্রাম পঞ্চায়েতের উল্লেখ করা হয়েছে। যা দ্বারা সাঁওতালদের সমাজব্যবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
সুতরাং উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, চিত্র-২-এর গ্রাম পঞ্চায়েত ব্যবস্থা দ্বারা সাঁওতাল সমাজের সালিস ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।