উদ্দীপকে উল্লিখিত শহুরে সমাজের বাইরের সমাজটি হলো গ্রামীণ সমাজ এবং উভয় সমাজ ব্যবস্থার মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।
গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্থা বলতে গ্রামীণ পরিবেশে গড়ে ওঠা কৃষিভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থাকে বুঝায়। গ্রামীণ সমাজের জীবনধারা সাধারণত ধীর ও শান্ত, যেখানে মানুষের রক্তের সম্পর্কে ঘনিষ্ঠতা বেশি লক্ষ করা যায়। গ্রামণি সমাজের সাথে শহুরে সমাজের কতিপয় মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। যেমন- গ্রাম প্রধান দেশের জনসংখ্যার বেশিরভাগই গ্রামীণ সমাজ বসবাস করে, তবে গ্রামীণ সমাজে জনসংখ্যার ঘনত্ব অপেক্ষাকৃত কম। অপরদিকে শহুরে সমাজে জনসংখ্যার ঘনত্ব অনেক বেশি। আবার গ্রামীণ সমাজে কৃষিভিত্তিক কাজের সাথে জড়িত থাকে অধিকাংশ মানুষ, যেখানের পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি থাকায় পরিবারগুলো বড় বড় এবং মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা ও হৃদ্যতা বেশি।, অন্যদিকে, শহুরে সমাজের মানুষ অধিকাংশ অকৃষিভিত্তিক বিভিন্ন ধরনের পেশায় জড়িত, যেখানে পরিবারগুলো একক বা ছোট পরিবার এবং পাশাপাশি বাস করলেও মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা-হৃদ্যতা নেই। এছাড়াও শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ বিভিন্ন ক্ষেত্রে শহুরে সমাজ ও গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান।
সুতরাং উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, গ্রামীণ শহুরে সমাজ ব্যবস্থায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে পার্থক্যের চিত্র ফুটে উঠে।