য উদ্দীপকের জ্ঞাতিসম্পর্কের ধরন কেবল মানুষের একমাত্র জ্ঞাতিবন্ধন নয়। কেননা এখানে শুধু জ্ঞাতিসম্পর্কের বৈবাহিক বন্ধনের কথা বলা 'হয়েছে। কিন্তু এটা ছাড়াও জ্ঞাতিসম্পর্কের আরও চারটি ধরন রয়েছে। যথা-
১. জৈবিক বন্ধন বা রক্তসম্পর্কীয় জ্ঞাতি (Biological ties on মিলনের ফলে সন্তানের জন্ম হয়, যা 'রক্তের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে। Consanguinity Kinship): সাধারণত নারী-পুরুষের যৌন রক্তের সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত সম্পর্ককে রক্তের সম্পর্কের জ্ঞাতি অর্থাৎ Consanguineous Kinship বলা হয়। যেমন- দাদা-দাদি ও পিতামাতার সাথে নাতি-নাতনির এবং সন্তান- সন্ততির বংশসূত্রভিত্তিক বা রক্তসম্পর্কীয় বন্ধন।
২ কাল্পনিক বন্ধন (Fictional ties): রক্ত বা বৈবাহিক সূত্রে আবদ্ধ নয়, এমন ব্যক্তিদের সাথে আমরা রক্ত বা বৈবাহিক সম্পর্কের জ্ঞাতিদের মতো আচরণ করি। এটিই কাল্পনিক বন্ধন। যেমন- আলাপচারিতায় আমরা চাচা, চাচি, মামা, খালু, খালাম্মা বলে সম্বোধন করি। এটাই কাল্পনিক বন্ধন।
প্রথাগত বন্ধন (Customary ties): অনেকটা স্থানীয় প্রথাগত সূত্রে কাউকে আত্মীয় ধরে নেওয়ার রেওয়াজই প্রথাগত বন্ধন। মিতা পাতানো, দোস্ত পাতানো ইত্যাদিকে এ প্রথাগত বন্ধনের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়।
৩. প্রথাগত বন্ধন (Customary ties): অনেকটা স্থানীয় প্রথাগত সূত্রে কাউকে আত্মীয় ধরে নেওয়ার রেওয়াজই প্রথাগত বন্ধন। মিতা পাতানো, দোস্ত পাতানো ইত্যাদিকে এ প্রথাগত বন্ধনের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়।
৪. দত্তক বন্ধন (Ties of adoption): সমাজে এমন অনেকে আছেন যারা পালক পুত্র, পালক কন্যা হিসেবে কাউকে গ্রহণ করেন এবং সন্তানের মতোই লালন-পালন করেন। আর তাদের যে জ্ঞাতিবন্ধন গড়ে ওঠে সেটাই হলো দত্তক বন্ধন।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের জ্ঞাতিসম্পর্কের ধরনই কেবল মানুষের একমাত্র জ্ঞাতিবন্ধন নয়। এছাড়াও আরও জ্ঞাতিবন্ধন রয়েছে।