উদ্দীপকে মেহমানদের সাথে জলিল সাহেবের সম্পর্কে প্রকারভেদগুলোর বর্ণনা দাও।
উত্তর: উদ্দীপকে মেহমানদের সাথে জলিল সাহেবের জ্ঞাতিসম্পর্ক। বিদ্যমান। জ্ঞাতি সম্পর্ক মানুষের সমাজকাঠামোর চাবিকাঠি। এর ওপর নির্ভর করে মানুষের পারস্পরিক সামাজিক সম্পর্ক এবং মিথস্ক্রিয়া। এ সম্পর্কের যথাযোগ্য সংজ্ঞা হলো- রক্ত, বিবাহ, কল্পনা, বন্ধুত্ব, দত্তক গ্রহণ ইত্যাদি বন্ধনসূত্রে আবদ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যকার আত্মীয়তার সম্পর্কই জ্ঞাতি সম্পর্ক। আমরা উদ্দীপকে লক্ষ করি, জলিল সাহেব বড় ছেলের বিয়েতে ভাই-বোন, চাচা-চাচী, শ্বশুর ও শাশুড়ি, খালা-খালু, পাড়া-প্রতিবেশী, ধর্মের মেয়েসহ অনেক আপনজনকে দাওয়াত করেন। যা সুস্পষ্টতই জ্ঞাতি সম্পর্কের আওতাভুক্ত। বাংলাদেশে জ্ঞাতি সম্পর্কের ৪টি ধরন লক্ষ করা যায়। যথা- ১. জৈবিক বা রক্তসম্পর্কীয় জ্ঞাতি, সাধারণত স্বামী-স্ত্রীর যৌন মিলনের ফলে যে সন্তান জন্ম নেওয়ার মধ্য দিয়ে এ সম্পর্কে ভিত গড়ে ওঠে। বাবা-মা, ভাই-বোন, চাচা-ফুফু এ ধরনের সম্পর্কগুলো জৈবিক সম্পর্কের মধ্যে পড়ে। ২. বৈবাহিক বন্ধনের ফলে যে সম্পর্ক গড়ে উঠে, যেমন শ্বশুর-শাশুড়ি, দেব-শ্যালক এ জাতীয় সম্পর্ক। ৩. কাল্পনিক সম্পর্ক, রক্তের সম্পর্ক নেই, এরপরও আমরা রক্তের সম্পর্কের মতো আচরণ করি, এ ধরনের সম্পর্কই কাল্পনিক সম্পর্ক বলা হয়। ৪. প্রথাগত কন্ধন, পাড়া-প্রতিবেশীদের আমরা চাচা-চাচী, মামা-মামী ইত্যাদি বলে সম্বোধন করি, তা মূলত প্রথাগত বন্ধন। উদ্দীপকের জলিল সাহেবের দাওয়াতকৃত মেহমানদের বিশ্লেষণ করলে এ চার ধরনের জ্ঞাতি সম্পর্কই পাওয়া যায়। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের মেহমানদের সাথে জলিল সাহেবের জাতি সম্পর্ক বিদ্যমান।
HSC Sociology 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে মেহমানদের সাথে জলিল সাহেবের সম্পর্কে প্রকারভেদগুলোর বর্ণনা…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর