উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি হচ্ছে সামাজিক অসমতা।
সামাজিক অসমতা মানে হচ্ছে সমাজের কাঙ্ক্ষিত বিষয়গুলো অসম বণ্টন। সমাজ তার দুর্লভ, কাঙ্ক্ষিত ও মূল্যবান বিষয়বস্তু বা সম্পদ বিভিন্ন উপাদানের ভিত্তিতে অসমভাবে বণ্টন করে। উদ্দীপকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে। বিশ্বের মাত্র ৯৮ জন মানুষ পৃথিবীর অর্ধেক সম্পত্তির মালিক। তাদের ব্যক্তিগত সম্পদ কোনো কোনো রাষ্ট্রের সম্পত্তি থেকেও বেশি। উল্লিখিত বিষয়গুলো সামাজিক অসমতাকেই নির্দেশ করে।
সমাজে বিভিন্ন প্রকার অসমতা দেখা যায়। যেমন- লিঙ্গ ভিত্তিক, বয়সভিত্তিক, ক্ষমতাভিত্তিক ইত্যাদি। লিঙ্গ সামাজিক অসমতার অন্যতম নির্ধারক। পুরুষ ও নারীর লিঙ্গ ভেদাভেদের দোহাই দিয়ে সমাজ নারী-পুরুষের সম্পর্কে অসমতা সৃষ্টি করেছে। বয়সভেদেও সামাজিক অসমতা তৈরি হয়। বয়সভিত্তিক অসমতা প্রাকৃতিক কারণে সৃষ্ট মনে হলেও এর পিছনে শক্তিশালী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ধারণা রয়েছে। আবার ক্ষমতা, সম্পত্তি, মালিকানা, প্রতিপত্তি, মর্যাদা ইত্যাদি ভিত্তিতেও সামাজিক অসমতা তৈরি হয়। ক্ষমতার মাত্রার ওপর মানুষ বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত হয়।