উদ্দীপকে সামাজিক স্তরবিন্যাসের অসমতার দিকটি ফুটে উঠেছে। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো :
যখন দুই বা ততোধিক গোষ্ঠীর মধ্যে মর্যাদা, ক্ষমতা, সুযোগ সুবিধা, বিধি নিষেধ বা অন্যান্য সম্পদ বন্টনের ক্ষেত্রে পার্থক্য দেখা যায় তখন তাকে সামাজিক অসমতা বলে। সামাজিক অসমতাকে জৈবিক ও সামাজিক উপাদানের ভিত্তিতে বিভিন্নভাবে ভাগ করা যায়। যার মধ্যে শ্রেণীভেদে অসমতা অন্যতম। শ্রেণীভেদে অসমতা অনুযায়ী সমাজের উচ্চ শ্রেণি অন্যান্যদের চেয়ে বেশি মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধার অধিকারী। কাল মার্কসের মতে সমাজে পুঁজিপতি ও সর্বহারা এই দুটি শ্রেণি বিদ্যমান। আর সেই সমাজে পুঁজিপতি শ্রেণী সর্বহারা শ্রেণীকে সর্বদা শোষণ করে। এভাবে শ্রেণিভেদে সামাজিক অসমতার সৃষ্টি।
উদ্দীপকেও দেখা যায়, জীবিকার তাগিদে এই গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান রিমা সবুজ সাহেবের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করে। কিন্তু সবুজ সাহেবের স্ত্রী রিমার সাথে খারাপ ব্যবহার করত এবং তাকে প্রহার করত। এছাড়াও তারা যে খাবার খেত রিমাকে তা খেতে দিত না। অর্থাৎ এখানে ধনী ও দরিদ্র এই শ্রেণী ভেদাভেদের ফলে সৃষ্ট সামাজিক অসমতা বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে সামাজিক স্তরবিন্যাসের অসমতার দিকটি ফুটে উঠেছে।