উদ্দীপকে বর্ণিত পাপনের অবস্থান সামাজিক স্তরবিন্যাসের জাতিবর্ণ ধরনকে নির্দেশ করে ।
সামাজিক স্তরবিন্যাসের অন্যতম একটি ধরন হলো জাতিবর্ণ ব্যবস্থা । জাতিবর্ণ মূলত একটি পেশাগত গোষ্ঠী। জাতিবর্ণের বৈশিষ্ট্য হলো জন্মসূত্রে সদস্যপদ লাভ করা। বর্ণপ্রথায় কোনো ব্যক্তির সামাজিক অবস্থান জানতে হলে দেখতে হবে তার জন্ম কোন বর্ণে। হিন্দুধর্মের জাতিবর্ণ প্রথার চারটি ধরন রয়েছে। যথা— ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র। এদের মধ্যে সমাজের যাবতীয় ব্যবসায়িক কাজকর্ম পরিচালনা করে বৈশ্যরা। এই পেশা তাদের বংশ পরম্পরায় আবর্তিত হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, পাপন ও তার গ্রামের অধিকাংশ মানুষ ব্যবসা অন্যান্য ধর্মীয় ক্রিয়াকলাপের সাথে জড়িত। বংশ পরম্পরায় তাদের সমাজে সবাই একই পেশার সাথে জড়িত, যা উপরে আলোচিত জাতিবর্ণের একটি ধরন বৈশ্য বর্ণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, পাপনের অবস্থান হিন্দুধর্মের জাতিবর্ণ প্রথাকে নির্দেশ করে।