সেতুর পরিবার সেতুকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সামাজিকীকরণ সাহায্য কারে- প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
শিশুর সামাজিকীকরণে পরিবার প্রাথমিক বাহন হিসেবে কাজ করে। শিশুর শিক্ষার প্রথম হাতেখড়ি হয় পরিবারেই। আর শিশুরা যেহেতু অনুকরণপ্রিয় সেহেতু পারিবারিক পরিবেশে শিশু যা শেখে, ব্যক্তিত্ব গঠনে তা আজীবন ভূমিকা পালন করে। এজন্য দেখা যায়, মা-বাবা যে আদর্শ ও সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে, শিশুরাও সাধারণত সেই আদর্শ ও সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী হয়। তাই সামাজিকীকরণের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে পরিবারই শিশুর সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে থাকে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সেতুর বাবা-মা তাকে ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন আদব-কায়দা শিখিয়েছে, যা সামাজিকীকরণে পরিবার বাহনটির ভূমিকা বহিঃপ্রকাশ। আদর্শ মানুষ হতে হলে প্রয়োজন সমাজের স্বীকৃত রীতিনীতি, মূল্যবোধ প্রভৃতি সম্পর্কে জানা ও সামগ্রিক স্বার্থে তা পালন করা। আর পরিবারই শিশুকে এসবের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং সুষ্ঠুভাবে মেনে চলতে সাহায্য করে। সেতুর পরিবারও তাকে এসব শিখিয়েছে বলে তার সুষ্ঠু সামাজিকীকরণ হয়েছে এবং সে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠেছে।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, ব্যক্তির সুষ্ঠু সামাজিকীকরণ এবং আদর্শ ব্যক্তিত্ব গঠনে পরিবারের গুরুত্ব অপরিসীম।