উদ্দীপকের বিষয়টি তথা তথ্যপ্রযুক্তির সাথে বিশ্বায়ন খুব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ আজ সহজেই দূরের মানুষ, সমাজ প্রভৃতির সংস্পর্শে আসতে পারছে। আবার বর্তমান বিশ্বের প্রধান আলোচিত বিষয় হলো বিশ্বায়ন। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যা সারাবিশ্বের সকল মানুষকে জাতি-রাষ্ট্রের সীমানার ঊর্ধ্বে এক বৈশ্বিক গ্রামের ধারণা এনে দিয়েছে।বিশ্বায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তির বদৌলতে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের মানুষ ঘরে বসে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে। মোবাইল ফোন, স্যাটেলাইট চ্যানেল, অনলাইন সংবাদপত্র, সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষ সহজেই সারাবিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে। এর ফলে তারা পরস্পরের বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবনধারা, সংস্কৃতি, পরিবেশ, সমাজ, অর্থনীতি, ধর্ম ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারছে। পারস্পরিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে মানুষ নিজের অজান্তেই বিভিন্ন বিষয়ে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ বিশ্বায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তির প্রভাবে এসব উপাদান বিভিন্নভাবে প্রভাবিত, পরিবর্তিত বা পরিবর্ধিত হচ্ছে।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিশ্বায়নের প্রভাবের ফলে পৃথিবীটা আজ বিশ্বগ্রামে পরিণত হয়েছে। এজন্য বলা হয়, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিশ্বায়ন পরস্পর খুব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।