মি. নিলয় বেশকিছু কারণে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার পক্ষে। সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-
সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা: ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় জমি, কলকারখানা ও অন্যান্য সম্পত্তির ব্যক্তিগত মালিকানা ও অবাধ ব্যবহার বজায় থাকে।
বেসরকারি উদ্যোগ বেসরকারি উদ্যোগের ক্ষেত্রে কোনো সরকারি হস্তক্ষেপ বা নিয়ন্ত্রণ থাকে না এবং ব্যক্তি তার ইচ্ছা অনুযায়ী কলকারখানা, ব্যবসায় বাণিজ্য ইত্যাদি কাজকর্ম করে সম্পদ অর্জন করে।
স্বয়ংক্রিয় দাম ব্যবস্থা: ধনতন্ত্রে সব অর্থনৈতিক কাজ স্বয়ংক্রিয় দাম ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। চাহিদা ও যোগানের দ্বারা দ্রব্যের দাম নির্ধারিত হয় এবং এ দামের ভিত্তিতেই উৎপাদন ও ভোগকার্য চলে।
ভোক্তার স্বাধীনতা: ভোগের ক্ষেত্রে প্রত্যেক ব্যক্তি পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করে। অর্থাৎ, ভোক্তা তার নিজস্ব সামর্থ্য, ইচ্ছা ও পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো দ্রব্য অবাধে ভোগ করতে পারে।
অবাধ প্রতিযোগিতা ধনতন্ত্রে অসংখ্য উৎপাদনকারীর মধ্যে অবাধ প্রতিযোগিতা চলে। এতে নতুন আবিষ্কার সম্ভব হয় এবং দ্রব্যের দাম কমতে থাকে।
মুনাফা অর্জন: ধনতন্ত্রে যাবতীয় উৎপাদনের লক্ষ্য হলো মুনাফা অর্জন। বেশি মুনাফার সম্ভাবনা থাকলে সেক্ষেত্রে বিনিয়োগ বেশি হয়। এর ফলে কোনো কোনো দ্রব্যের বেশি উৎপাদন এবং অন্যক্ষেত্রে কম উৎপাদন হতে পারে।
সুতরাং বলা যায়, ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় দেশের উৎপাদনকার্য, ব্যবসায় বাণিজ্য প্রভৃতি কাজকর্ম সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগে চলে এবং এ কারণেই মি. নিলয় ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার পক্ষে।