জনগণের সার্বিক কল্যাণই রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য"-উক্তিটি সর্বজনস্বীকৃত যথার্থ একটি উক্তি।
জনগণের সার্বিক মঙ্গলার্থেই রাষ্ট্র তার কর্মকৌশল প্রয়োগ করে। সমাজবিজ্ঞানে রাষ্ট্র একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক প্রতিষ্ঠান। সভ্যতার বিকাশ ও শাসন ব্যবস্থার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হলো রাষ্ট্র। রাষ্ট্র সমাজের একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যমে সমাজ সঠিক ও সুশৃঙ্খলভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করে, লালিত-পালিত হয় এবং মৃত্যুবরণ করে। সমাজবিকাশের এক পর্যায়ে জীবন সম্পত্তি ও স্বাধীনতা সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার নিম্নতম প্রাথমিক দায়িত্ব নিয়েই রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। Max Weber বলেন, রাষ্ট্র হলো এমন একটি মানব সম্প্রদায় যা একটি নির্দিষ্ট এলাকার জনগোষ্ঠী, সম্পদ ও সম্পত্তিকে একচেটিয়াভাবে ব্যবহার বা নিয়ন্ত্রণ করার সর্বময় অধিকার লাভ করে। সমাজতাত্ত্বিকদের দৃষ্টিতে রাষ্ট্র সামাজিক নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্সি, যার কাজ আইন দ্বারা সম্পন্ন হয় এবং যার পেছনে থাকে মূলত দৈহিক শক্তি।
মূলত রাষ্ট্র একটি বৃহৎ রাজনৈতিক, সামাজিক ও ভৌগোলিক প্রতিষ্ঠান যা নাগরিকদের সকল দিকের যথাযথ মূল্যায়ন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার বন্দোবস্তের জন্য পদক্ষেপ । গ্রহণ করে।