উদ্দীপকে যে সামাজিক বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠেছে তা হলো লিঙ্গ বৈষম্য। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো : নারী ও পুরুষের মধ্যকার ভেদাভেদ তৈরি করে সমাজে নারীদের প্রতি যে বৈষম্য করা হয় তা ই মূলত লিঙ্গ বৈষম্য। প্রাচীন কাল থেকে এই সমাজে নারীদের প্রতি বৈষম্য মনোভাব পরিলক্ষিত হয়। যার ফলস্বরূপ বর্তমান সমাজেও বহু নারী কর্ম করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। এছাড়াও যেসকল নারী কাজ করছে কর্মক্ষেত্রে তারা ও বিভিন্নভাবে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। একই রকম কাজ একই সময় ধরে করে একজন পুরুষকে যে পরিমাণ পারিশ্রমিক দেয়া হয়, সেই একই কাজ একই সময় ধরে একজন নারীকে তার তুলনায় কম পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। যার ফলে মূলত বৈষম্যেরই শিকার হচ্ছেন নারীরা। এছাড়া ও বিভিন্ন কাজে নারীদের নিযুক্ত করার অনীহার ফলে ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছে নারীরা। উদ্দীপকেও দেখা যায়, রহিম ও তার স্ত্রী রুবি একই চাউল তৈরির কারখানায় সমানভাবে কাজ করে। কিন্তু পারিশ্রমিক নেওয়ার সময় রহিমকে ৪০০ টাকা দিলেও রুবিকে দেওয়া হয় ২০০ টাকা। অর্থাৎ তাকে অর্ধেক টাকা দেওয়া হয়। যা লিঙ্গবৈষম্যকেই নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে যে সামাজিক বৈষম্যের চিত্র ফুটে উঠেছে তা হলো লিঙ্গ বৈষম্য।