উদ্দীপকে লিঙ্গভিত্তিক সামাজিক অসমতার ধরনটি লক্ষণীয় ।
নারী ও পুরুষের মধ্যে জীববিজ্ঞানের নিয়মে যে ভেদ বা পার্থক্য তাকে লিঙ্গ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। মানব সমাজে এজন্য দুটি অংশের সৃষ্টি হয়েছে। যার একটি নারী অন্যটি পুরুষ। প্রাকৃতিক কারণে এই অসমতার উদ্ভব হলেও সমাজজীবনে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে । পুরুষ ও নারীর লিঙ্গ ভেদাভেদের দোহাই দিয়ে সমাজ নারী ও পুরুষের সম্পর্কের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করেছে। সুদূর অতীতে শিকারি সমাজে সন্তানধারণ, লালন-পালন, গৃহস্থলির কাজের সাথে নারীরা অধিকভাবে যুক্ত হয়ে যাওয়ায় ক্রমে এগুলোকে নারীর কাজ হিসেবে ধরে নারীকে গৃহবন্দি করে ফেলা হয় এবং নারীর ওপর পুরুষের প্রাধান্য সৃষ্টি হয়। নারী ও পুরুষের এই অসমতার ভিত্তিতে সৃষ্টি হয় পারিবারিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক নানা বৈষম্য যা কালক্রমে পুরুষশাসিত সমাজের জন্ম দেয় । যেমনটি উদ্দীপকেও পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সারাদিন অফিস শেষ করে শারমিন বাসায় এসে সন্তানদের দেখাশোনাসহ সংসারের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেন। সাজিদ মনে করেন এসব নারীদেরই কাজ। অতএব উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে লিঙ্গভিত্তিক অসমতা পরিলক্ষিত হয়েছে।