দৃশ্যকল্প -১ - এ জেন্ডারের ভিত্তিতে সৃষ্ট সামাজিক বৈষম্যকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো :
জেন্ডার হচ্ছে সামাজিকভাবে গড়ে ওঠা নারী পুরুষের পরিচয় বা নারী ও পুরুষ সম্বন্ধীয় মনস্তাত্ত্বিক এবং সাংস্কৃতিকবোধ। সমাজে নারী ও পুরুষের কে কি রকম আচরণ করবে, কে কেমন পোশাক পড়বে, কার আশা-আকাঙ্ক্ষা কি রকম হবে তা প্রকাশ করে জেন্ডার। জেন্ডারের ভিত্তিতেই শিক্ষা, সামাজিক আচরণবিধি, শ্রমমূল্য, চলাফেরা, চাকরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে সামাজিক বৈষম্য পরিলক্ষিত হয়। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, শিক্ষা ক্ষেত্রে পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় পুত্র সন্তানের জন্য যথাসাধ্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা হলেও অধিকাংশ সময় কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তা হয় না।
উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প ১ এ দেখা যায়, সাবিনা যথেষ্ট মেধাবী হলেও তার পিতা-মাতা তাকে উচ্চশিক্ষায় সুযোগ না দিয়ে বিয়ে দিয়ে দেন। এছাড়া গ্রামের মানুষ নারী শিক্ষাকে পূর্বসংস্কারবশত অপ্রয়োজনীয় মনে করেন। এসব বিষয় উপরে আলোচিত জেন্ডারের ভিত্তিতে সৃষ্ট বৈষম্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
সুতরাং বলা যায় যে, দৃশ্যকল্প ১ জেন্ডারের ভিত্তিতে সৃষ্ট সামাজিক বৈষম্যকে নির্দেশ করছে।