উদ্দীপকে সামাজিক অসমতার কোন ধরন লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে জেন্ডারভিত্তিক সামাজিক অসমতা লক্ষণীয়। নারী ও পুরুষের মধ্যে শারীরিক বৈশিষ্ট্যের দিক দিয়ে যে পার্থক্য তাকে লিঙ্গ বলে চিহ্নিত করা হয়। এই লিঙ্গ পার্থক্যের জন্যই মানবজাতির দুই অংশের একটি পুরুষ অপরটি নারী। আর জেন্ডার হচ্ছে সামাজিকভাবে গড়ে ওঠা নারী-পুরুষের পরিচয়, সামাজিকভাবে নির্ধারিত নারী-পুরুষের মধ্যকার সম্পর্ক এবং সমাজ কর্তৃক আরোপিত নারী-পুরুষের ভূমিকা। প্রাকৃতিক কারণে এ অসমতার উদ্ভব হলেও সমাজজীবনে এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে। সুদূর অতীতের শিকারি সমাজে সন্তানধারণ, প্রতিপালন, গৃহস্থালির কার্যাদি সম্পাদন ইত্যাদি কাজের সাথে নারীরা অধিকভাবে যুক্ত হয়ে পড়ায় এগুলোকে বাধ্যতামূলকভাবে নারীর কাজ হিসেবে ধরে নিয়ে নারীকে গৃহবন্দী করে ফেলা হয়। সময়ের ধারাক্রমে শিকার, পশুপালন, জমি চাষ, যুদ্ধ প্রভৃতি কাজে পুরুষ প্রাধান্য সৃষ্টি হওয়ায় নারীরা পুরুষের অধস্তন হয়ে পড়ে, যা পুরুষশাসিত সমাজের জন্ম দেয়। কার্যত পুরুষ ও নারীর লিঙ্গ ভেদাভেদের দোহাই দিয়ে সমাজ নারী এবং পুরুষের সম্পর্কের মধ্যে নানারকম অসমতা সৃষ্টি করেছে। যেমনটি উদ্দীপকেও লক্ষণীয় । উদ্দীপকে দেখা যায়, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরিজীবী হলেও অফিস শেষ করে বাসায় এসে সন্তানদের দেখাশোনাসহ সংসারের যাবতীয় দায়িত্ব স্ত্রী পালন করেন। এসময় স্বামী ক্লাবে যান, মোবাইল বা টিভি দেখেন। তিনি মনে করেন সংসারের এসব দায়িত্ব পালন করা তার কাজ নয়। স্ত্রীর প্রতি স্বামীর এরূপ ধারণা পোষণ করা পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের পরিচায়ক । একইসাথে জেন্ডারভিত্তিক অসমতাকে নির্দেশ করে।
HSC Sociology 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 1st Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে সামাজিক অসমতার কোন ধরন লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপক
Dhaka · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর