“উদ্দীপকের অবস্থা সমাজ প্রগতির অন্তরায়”- সুচিন্তিত মতামত দাও ।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত অবস্থা তথা জেন্ডারভিত্তিক সামাজিক অসমতা সমাজ প্রগতির অন্তরায় বলে আমি মনে করি। দৈহিক পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে সমাজে নারী ও পুরুষের মধ্যে বিভিন্নরকম বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। এ বৈষম্যের কারণে বিভিন্নভাবে নারীদের মেধা ও মননশীলতাকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে। ফলে সমাজের সব ক্ষেত্রে নারীরা এখনও যথেষ্ট পিছিয়ে রয়েছে। এ ধরনের বৈষম্য সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একটি দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়ার জন্য লিঙ্গভিত্তিক সামাজিক বৈষম্য অনেকাংশে দায়ী। এ কারণে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নারীদের তেমন অংশগ্রহণ নেই বলে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আমরা এখনও উন্নত দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে আছি। জেন্ডারের ভিত্তিতে সৃষ্ট সামাজিক বৈষম্যের কারণে নারীরা সমাজের সকল স্তরেই উপেক্ষিত হচ্ছে। যে কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্রসহ সব ক্ষেত্রেই তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। পাশাপাশি তারা উচ্চশিক্ষায় নিরুৎসাহিত হচ্ছে এবং সকল পর্যায়েই নিজেদের অধিকার পাচ্ছে না। পুরুষরাই হয়ে উঠেছে নারীর অভিভাবক । এতে নারীরা তাদের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ নারী ও পুরুষ সমাজের দুটি অপরিহার্য অংশ। কোনো সমাজ এককভাবে নারী বা পুরুষের অবদানে সমৃদ্ধ হতে পারে না। তাই সামাজিক প্রগতি নিশ্চিত করতে হলে নারী-পুরুষের মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন । উপরের আলোচনা থেকে বলতে পারি, জেন্ডারের ভিত্তিতে সমাজে বৈষম্য থাকায় নারীরা আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক প্রভৃতি ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ছে, যা নিঃসন্দেহে সমাজ প্রগতির অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে।
HSC Sociology 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 1st Paper · সৃজনশীল
“উদ্দীপকের অবস্থা সমাজ প্রগতির অন্তরায়”- সুচিন্তিত মতামত দাও ।
উদ্দীপক
Dhaka · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর