তথ্য-২ এর প্রযুক্তিগত উপাদানসমূহ সমাজ পরিবর্তনে হাতবাচক ভূমিকা রখে বলে আমি মনে করি।
সমাজ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত উপাদানের যথেষ্ট গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। সনাতন সমাজ থেকে আধুনিক সমাজে উত্তরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অবদান বিতর্কের ঊর্ধ্বে। প্রযুক্তির আধুনিক উপাদানসমূহ হচ্ছে কম্পিউটার, স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদি। উদ্দীপকের তথ্য-২ এ উক্ত উপাদানসমূহই উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিটি উপাদান সমাজ পরিবর্তনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। যেমন- স্মার্টফোন আধুনিক সমাজজীবনের অতি প্রয়োজনীয় একটি উপকরণ। স্মার্টফোনকে একটি বুদ্ধিমান মোবাইল ডিভাইস বলা হয়। এটির মাধ্যমে দেশ-বিদেশের যেকোনো প্রান্তে অডিও-ভিডিও কল ও মেসেজ করে যোগাযোগ করা যায়। এছাড়া স্মার্টফোনের মাধ্যমে উন্নত ক্যামেরা, জিপিএস সুবিধাসহ আরো অনেক সুবিধা পাওয়া যায়।
সমাজ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো কম্পিউটার। কম্পিউটার হলো এমন একটি যন্ত্র, যা ডেটা ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে সেটিকে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং আউটপুট প্রদান করে। এটি ডেটাকে খুব দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে এবং নির্ভুল ফলাফল প্রদান করে। সমাজ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং জনপ্রিয় একটি উপাদান হলো ইন্টারনেট। এটি এক ধরনের গ্লোবাল নেটওয়ার্ক সিস্টেম, যেখানে অসংখ্য কম্পিউটার ও ডিভাইস পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে। ইন্টারনেনেটর মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব, লাইব্রেরি, বিখ্যাত বই, ম্যাগাজিন 'ইত্যাদি ব্যবহার ও পড়া যায়। এছাড়া ব্যবসা, যোগাযোগ, বিনোদন প্রভৃতি ক্ষেত্রেও ইন্টারনেটের ব্যবহার আবশ্যকীয় একটি উপাদান। সর্বোপরি ইন্টারনেট আজকের বিশ্বকে একটি ডিজিটাল গ্রামে রূপান্তরিত করেছে।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, প্রযুক্তিগত উপাদানসমূহের ফলে মানুষের জীবনধারা বদলে যাচ্ছে। মানুষের জীবনের মান উন্নত হচ্ছে। জীবনে এসেছে স্বাচ্ছন্দ্য, স্বস্তি ও গতি। যা সমাজ পরিবর্তনে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।