উদ্দীপকে সামাজিক পরিবর্তনের কারণ হলো প্রযুক্তিগত উপাদানের প্রভাব।
পরিবেশের বস্তুগত উপাদানকে কীভাবে মানুষের প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায় তার সাংস্কৃতিক তথ্যই হচ্ছে প্রযুক্তি। সনাতন সমাজ থেকে আধুনিক সমাজে উত্তরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অবদান ঊর্ধ্বে। প্রযুক্তিবিদ্যার কল্যাণে শিল্পজাত দ্রব্যসামগ্রীর উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে তেমনি উৎকর্ষ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্প উৎপাদনভিত্তিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও প্রসারের ফলে মানুষের কর্মসংস্থান ও সামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। যা সামাজিক পরিবর্তনে বিশেষভাবে সহায়তা করছে। যেমনটি উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, একটি গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ কৃষি পেশার সাথে যুক্ত ছিল। কিন্তু গ্রামটিতে কলকারখানা গড়ে ওঠায় মানুষ সেখানে চাকরি এবং ব্যবসায় বাণিজ্য করে। অর্থাৎ সেখানে প্রযুক্তিগত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে শিল্পকারখানা স্থাপিত হয়েছে। যার ফলে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হয়েছে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হয়েছে। প্রযুক্তির সাহায্য ব্যতীত সেখানে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা সম্ভব হতো না। ফলে উল্লিখিত সামাজিক পরিবর্তনও ঘটত না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে সামাজিক পরিবর্তনে প্রযুক্তি উপাদানের প্রভাব সুস্পষ্ট।