উদ্দীপকে অপরাধের অর্থনৈতিক কারণের কথা বলা হয়েছে।
অপরাধের অন্যতম কারণ হলো অর্থনীতি। সমাজে আর্থিক অনটন দেখা দিলে, বেকারত্ব বৃদ্ধি পেলে যেমন অপরাধ সংঘটিত হয়, তেমনি আর্থিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেও অপরাধ সংঘটিত হয়। অবশ্য এ ধরনের অপরাধপ্রবণতা বেশি পরিলক্ষিত হয় আমলাদের মধ্যে। তারা অনেকেই আর্থিকভাবে সচ্ছলতার জন্য পেশাগত কাজের মধ্য দিয়ে অপরাধ করেন। যা ভদ্রবেশী অপরাধ হিসেবে পরিচিত। যেমন- ঘুষ, দুর্নীতি ইত্যাদি। এছাড়াও দারিদ্র্য ও পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে অপরাধের আর্থিক কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। জার্মান দার্শনিক কার্ল মার্কস বলেন, "পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক শোষণের ফলশ্রুতিই হলো অপরাধ।"
উদ্দীপকের আবীর অল্প সময়ের মধ্যে ধন-সম্পদের মালিক হতে গিয়ে বিভিন্ন সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। আবীরের এমন কর্মকাণ্ডের পেছনে যেহেতু সম্পদ লাভের আকাঙ্ক্ষা নিহিত সেহেতু তার এ অপরাধের জন্য অর্থনৈতিক কারণকে দায়ী করা যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে অপরাধের অর্থনৈতিক কারণ আলোচিত হয়েছে।