শেয়ারFacebookWhatsApp

বাংলাদেশে উক্ত বিজ্ঞানের বিকাশে উদ্দীপকে বর্ণিত কোন ব্যক্তির অবদান সর্বাধিক ? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: প্রশ্নে উক্ত বিজ্ঞান বলতে সমাজবিজ্ঞানকে বোঝানো হয়েছে । বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে ছকে বর্ণিত ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে নাজমুল করিমের অবদান সর্বাধিক। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সমাজবিজ্ঞানকে একটি আলাদা বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিমের অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৫৪ সালে ফরাসি ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ ও সামাজিক নৃবিজ্ঞানী অধ্যাপক ক্লদ লেভি স্ট্রস বাংলাদেশ সফরে আসার পর অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিম এবং অধ্যাপক অজিতকুমার সেন তার সাথে দেখা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ইউনেস্কোর সহযোগিতা কামনা করেন। এরই প্রেক্ষিতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম 'সমাজবিজ্ঞান' নামে একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৮ সালে অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিম সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৬১ সাল পর্যন্ত সমাজবিজ্ঞান বিভাগে যোগদানকারী বাঙালি শিক্ষকদের মধ্যে একমাত্র অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিম সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী ছিলেন । অধ্যাপক নাজমুল করিম হলেন প্রথম বাঙালি যিনি সমাজবিজ্ঞানের ওপর সর্বপ্রথম একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ রচনা করেন। তার লিখিত 'Changing Society in India, Pakistan, Bangladesh [গণিত] গ্রন্থটি সমাজবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক পুস্তক হিসেবে এখনও সমাদৃত। তার লিখিত অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে The Dynamics of Bangladesh Society [গণিত] , 'সমাজবিজ্ঞান সমীক্ষণ' ইত্যাদি। বস্তুত অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিম ও তার ছাত্র-ছাত্রীদের ঐকান্তিক সাধনার ফলেই এদেশে সমাজবিজ্ঞানের পঠন- পাঠন ও আলোচনা বিস্তৃতি লাভ করেছে। সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে বিভাগীয় যাদুঘর প্রতিষ্ঠা, মনোগ্রাফ লেখার ব্যবস্থা, গ্রামীণ প্রশ্নমালা পূরণের কার্যক্রম সবই তার অবদান । উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি যে, ছকে উল্লেখিত চারজন শিক্ষাবিদই বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে অবদান রাখলেও অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিম সর্বাধিক ভূমিকা রেখেছেন ।

HSC Sociology 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Sociology 2nd Paper · সৃজনশীল

বাংলাদেশে উক্ত বিজ্ঞানের বিকাশে উদ্দীপকে বর্ণিত কোন ব্যক্তির অবদান …

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ · 2024

উত্তর

আমেরিকান সমাজবিজ্ঞানী অগবার্নের মতানুযায়ী সংস্কৃতির ধরনসমূহ হচ্ছে, বস্তুগত সংস্কৃতি ও অবস্তুগত সংস্কৃতি ।

উত্তর

সংস্কৃতি একটি জীবনপ্রণালি কেননা এটি সমাজ জীবনের আচার- অনুষ্ঠান, শিল্পকলা, কাব্য, নিয়মনীতি, ধ্যানধারণা ইত্যাদির সমন্বয়ে গঠিত । আমরা জানি, সংস্কৃতি মানুষের সামাজিক জীবন সংশ্লিষ্ট কার্যপ্রণালিকে পরিচালিত করে। সমাজের সদস্য হিসেবে মানুষের অর্জিত জ্ঞান, বিশ্বাস, কলা, নৈতিকতা, আইন, প্রথা এবং অন্যান্য অভ্যাস ও দক্ষতা সবই সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত। আর এ জন্যই বলা হয় যে, সংস্কৃতি একটি জীবনপ্রণালি।

উত্তর

ছকে '?' চিহ্নিত স্থানের ক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞান শাস্ত্রটি যথাযথ। উদ্দীপকের ছকে উল্লেখিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক অজিত কুমার সেন, অধ্যাপক এ কে নাজমুল করিম, ফরাসি সামাজিক নৃবিজ্ঞানী অধ্যাপক ক্লদ লেভি স্ট্রস এবং ড. পেরি বেসাইনি বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান শাস্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান শিক্ষাদানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের নীতিশাস্ত্র এবং মনোবিজ্ঞানের সাথে সমাজবিজ্ঞানের কিছু বিষয়বস্তু পড়ানো শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৩৯-৪০ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের - অনার্স কোর্সের ৫ম পত্র হিসেবে 'Element of SociologySociology^{\prime} শিরোনামে সমাজবিজ্ঞানের পাঠ দান শুরু করা হয়। এ সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সমাজবিজ্ঞান কোর্সটির দায়িত্ব অর্পিত হয় বিভাগের রিডার অধ্যাপক অজিত কুমার সেনের হাতে। ১৯৫২ সালে অধ্যাপক অজিত কুমার সেন কলকাতা চলে যাওয়ায় সমাজবিজ্ঞান কোর্সটি পড়ানোর দায়িত্ব অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিমের ওপর ন্যস্ত হয়। ১৯৫৪ সালে ফরাসি সামাজিক নৃবিজ্ঞানী ও ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ক্লদ লেভি স্ট্রস বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও নৃবিজ্ঞান পঠন-পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাই করার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসলে অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিম এবং অধ্যাপক অজিত কুমার সেন তার সাথে দেখা করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠায় ইউনেস্কোর সাহায্য-সহযোগিতা কামনা করেন। এরই ফলশ্রুতিতে ক্লদ লেভি স্ট্রসের সক্রিয় আগ্রহ ও ইউনেস্কোর সহযোগিতায় ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'সমাজবিজ্ঞান' নামে স্বতন্ত্র বিভাগ চালু হয় । স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫৭ সালে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম অধ্যক্ষ হিসেবে ফরাসি সামাজিক নৃবিজ্ঞানী ও ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. পেরি বেসাইনিকে নিযুক্ত করা হয়। তিনি ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি সমাজবিজ্ঞানের কার্যকর একটি সিলেবাস প্রণয়ন করেন । উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে সুস্পষ্ট যে, ছকে উল্লেখিত শিক্ষাবিদরা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন । সুতরাং নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে, ছকে '?' চিহ্নিত স্থানে সমাজবিজ্ঞান শাস্ত্রটি যথাযথ ।

উত্তর

প্রশ্নে উক্ত বিজ্ঞান বলতে সমাজবিজ্ঞানকে বোঝানো হয়েছে । বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে ছকে বর্ণিত ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে নাজমুল করিমের অবদান সর্বাধিক। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সমাজবিজ্ঞানকে একটি আলাদা বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিমের অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৫৪ সালে ফরাসি ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ ও সামাজিক নৃবিজ্ঞানী অধ্যাপক ক্লদ লেভি স্ট্রস বাংলাদেশ সফরে আসার পর অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিম এবং অধ্যাপক অজিতকুমার সেন তার সাথে দেখা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ইউনেস্কোর সহযোগিতা কামনা করেন। এরই প্রেক্ষিতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম 'সমাজবিজ্ঞান' নামে একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৮ সালে অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিম সমাজবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৬১ সাল পর্যন্ত সমাজবিজ্ঞান বিভাগে যোগদানকারী বাঙালি শিক্ষকদের মধ্যে একমাত্র অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিম সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী ছিলেন । অধ্যাপক নাজমুল করিম হলেন প্রথম বাঙালি যিনি সমাজবিজ্ঞানের ওপর সর্বপ্রথম একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ রচনা করেন। তার লিখিত 'Changing Society in India, Pakistan, BangladeshBangladesh^{\prime} গ্রন্থটি সমাজবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক পুস্তক হিসেবে এখনও সমাদৃত। তার লিখিত অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে The Dynamics of Bangladesh Society,Society^{\prime}, 'সমাজবিজ্ঞান সমীক্ষণ' ইত্যাদি। বস্তুত অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিম ও তার ছাত্র-ছাত্রীদের ঐকান্তিক সাধনার ফলেই এদেশে সমাজবিজ্ঞানের পঠন- পাঠন ও আলোচনা বিস্তৃতি লাভ করেছে। সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে বিভাগীয় যাদুঘর প্রতিষ্ঠা, মনোগ্রাফ লেখার ব্যবস্থা, গ্রামীণ প্রশ্নমালা পূরণের কার্যক্রম সবই তার অবদান । উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি যে, ছকে উল্লেখিত চারজন শিক্ষাবিদই বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান পাঠের প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে অবদান রাখলেও অধ্যাপক ড. এ কে নাজমুল করিম সর্বাধিক ভূমিকা রেখেছেন ।
HSCSociology 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক পরিষদে কতটি আসন পায়?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.খাসিয়া নৃগোষ্ঠীর পুঞ্জিপ্রধানকে কী বলে?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন একাডেমী (BARD)-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'অপারেশন সার্চ লাইট' হলো-

Combined · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :রিপন সাহেব একজন সরকারি কর্মচারী। ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে তার অফিস। কর্মক্ষেত্রে যেতে প্রায় তার দেরি হয়। যানবাহনের আধিক্য ও ধীরগতি এর কারণ।Q. এ ধরনের সমস্যার কারণ কোনটি?

Combined · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :রিপন সাহেব একজন সরকারি কর্মচারী। ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে তার অফিস। কর্মক্ষেত্রে যেতে প্রায় তার দেরি হয়। যানবাহনের আধিক্য ও ধীরগতি এর কারণ।Q. উদ্দীপকের পরিস্থিতি বাংলাদেশের নগর সমাজের কোন সমস্যাকে ইঙ্গিত করে?

Combined · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের পথিকৃৎ কে?

Combined · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে পরিবারের ধরন কোনটি?

Combined · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :শায়লার একমাত্র ছেলে ফয়সালের সাথে তার বোনের মেয়ে মিলার বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়।Q. উদ্দীপকে বর্ণিত বিবাহ কোন ধরনের?

Combined · 2018

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.জ্ঞাতিসম্পর্ক কী?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.মনিপুরীরা প্রধানত কোন অঞ্চলে বসবাস করে?

Combined · 2019

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নিচের উদ্দীপকের আলোকে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও মমতা ঢাকার জাদুঘরে বেড়াতে গিয়ে একটি প্রাচীন যুগের ছবি দেখতে পায়। ছবিটিতে আদিম মানুষের হাতে তীর-ধনুক রয়েছে। এছাড়া গুহার গায়ে চিত্রকর্মে বিভিন্ন বন্য জীবজন্তুর ছবি দেখতে পায়। Q.উদ্দীপকে মমতা এর দেখা ছবিতে কোন প্রত্নতাত্ত্বিক যুগের বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়?

Combined · 2025

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক পরিষদে কতটি আসন পায়?খাসিয়া নৃগোষ্ঠীর পুঞ্জিপ্রধানকে কী বলে?বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন একাডেমী (BARD)-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?'অপারেশন সার্চ লাইট' হলো-উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :রিপন সাহেব একজন সরকারি কর্মচারী। ঢাউদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :রিপন সাহেব একজন সরকারি কর্মচারী। ঢাবাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের পথিকৃৎ কে?সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে পরিবারের ধরন কোনটি?উদ্দীপকটি পড়ে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও :শায়লার একমাত্র ছেলে ফয়সালের সাথে জ্ঞাতিসম্পর্ক কী?মনিপুরীরা প্রধানত কোন অঞ্চলে বসবাস করে?নিচের উদ্দীপকের আলোকে নিম্নোক্ত প্রশ্নের উত্তর দাও মমতা ঢাকার জাদুঘরে বেড়াতে গিয়

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।