বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে উদ্দীপকে উল্লিখিত গ্রন্থের লেখকের ভূমিকা ও অবদান বর্ণনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত গ্রন্থের লেখক অধ্যাপক ড. এ. কে. নাজমুল করিম। বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে তার ভূমিকা ও অবদান নিম্নে বর্ণনা করা হলো : উদ্দীপকের মমতা সমাজবিজ্ঞান সমীক্ষণ গ্রন্থটি পড়ছিল। এই গ্রন্থটির লেখক অধ্যাপক ড. এ. কে. নাজমুল করিম। তার প্রচেষ্টার ফলেই বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন শুরু হয়। ১৯৫৪ সালে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ ও সামাজিক নৃবিজ্ঞানী অধ্যাপক বাংলাদেশ ক্লদ লেভি স্ট্রস বাংলাদেশে সফরে আসলে অধ্যাপক ডক্টর এ কে নাজমুল করিম এবং অধ্যাপক অজিত কুমার সেন তার সাথে দেখা করেন। এ সময় তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ইউনেস্কোর সহযোগিতা কামনা করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান নামে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রতিষ্ঠায় এ. কে. নাজমুল করিমের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। অধ্যাপক নাজমুল করিম প্রথম বাঙালি চিন্তাবিদ হিসেবে সমাজবিজ্ঞানের উপর একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ রচনা করেন। তার লিখিত Changing Society in India, Pakistan, Bangladesh গ্রন্থটি এখনো সমাজবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক পুস্তক হিসেবে সবার কাছে সমাদৃত। এছাড়াও তিনি সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক The Dynamics of Bangladesh, সমাজবিজ্ঞান সমীক্ষণ ইত্যাদি গ্রন্থ রচনা করেন। অধ্যাপক নাজমুল করিমে নিজের এবং তার ছাত্র-ছাত্রীদের ঐকান্তিক সাধনার ফলেই এদেশে সমাজবিজ্ঞানের পঠন পাঠন ও আলোচনা বিস্তৃতি লাভ করেছে। সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে বিভাগীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠা, মনোগ্রাফ লেখার ব্যবস্থা, গ্রামীণ প্রশ্নমালা পূরণের কার্যক্রম সবই তার অবদান। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের সমাজ বিজ্ঞানের প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে অধ্যাপক নাজমুল করিমের অবদান অপরিসীম।
HSC Sociology 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 2nd Paper · সৃজনশীল
বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে উদ্দীপকে উল্লিখিত গ্রন্থের লেখকের ভ…
উদ্দীপক
Rajshahi · 2021
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর