উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের জনক ড. এ. কে. নাজমুল করিমের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে ড. এ. কে. নাজমুল করিমের অবদান সবচেয়ে বেশি। বিশেষত সমাজবিজ্ঞানকে একটি আলাদা বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। তার ঐকান্তিক আগ্রহ ও প্রচেষ্টার ফলে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনেস্কোর সহযোগিতায় সর্বপ্রথম 'সমাজবিজ্ঞান' নামে একটি বিভাগ চালু হয়। ১৯৫৮ সালে তিনি এ বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অধ্যাপক নাজমুল করিম প্রথম বাঙালি যিনি সমাজবিজ্ঞানের ওপর সর্বপ্রথম একটি পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ রচনা করেন। তার লিখিত 'Changing Society in India, Pakistan and Bangladesh (1956)' গ্রন্থটি সমাজবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে এখনও সবার কাছে সমাদৃত। তার লিখিত অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে The Dynamics of Bangladesh Society (1980), সমাজবিজ্ঞান সমীক্ষণ (১৯৭৩)” ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বস্তুত অধ্যাপক ড. এ. কে. নাজমুল করিম ও তার ছাত্র- ছাত্রীদের ঐকান্তিক সাধনার ফলেই এদেশে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন ও আলোচনা বিস্তৃতি লাভ করেছে। বিশেষ করে সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে বিভাগীয় যাদুঘর প্রতিষ্ঠা, মনোগ্রাফ লেখার ব্যবস্থা, গ্রামীণ প্রশ্নমালা পূরণের কার্যক্রম সবই তার অবদান। এ কারণে অধ্যাপক এ. কে. নাজমুল করিমকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের পরিশ্রমের ফলে ১৯৫৭ সালে বাংলাদেশে একটি সামাজিক বিজ্ঞান বিকাশ লাভ করে এটি সমাজবিজ্ঞানকেই নির্দেশ করে। উদ্দীপকে আলোচিত অধ্যাপকের সঙ্গে ড. এ. কে. নাজমুল করিমের সাদৃশ্য রয়েছে, যা উল্লিখিত আলোচনায় ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে অধ্যাপক ড. এ. কে. নাজমুল করিমের কথা বলা হয়েছে।
HSC Sociology 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 2nd Paper · সৃজনশীল
উদ্দীপকে কোন অধ্যাপকের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপক
Rajshahi · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর