উদ্দীপকে উল্লিখিত সমাজবিজ্ঞান বিষয়টির পাঠের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম ।
সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে ব্যক্তি সমাজ কাঠামো তথা ব্যক্তি, গোষ্ঠী এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সম্পর্ক, ভূমিকা' ও কার্যাবলি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হবে এবং একজন আত্মসচেতন ও শ্রেণিসচেতন সদস্য হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে সমাজের শ্রেণিবিন্যাস, শ্রেণিগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক, সমাজের উৎপাদন যন্ত্রের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক, তাদের ভূমিকা, অবদান এবং অধিকার সম্পর্কে জানা যায়। এর ফলে সমাজে মানুষের অবদান ও অধিকার সম্পর্কে ধারণা অর্জিত হয়। সমাজবিজ্ঞান সামাজিক দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে প্রত্যক্ষ দিক নির্দেশনা প্রদান করে। তাই সমাজবিজ্ঞান পাঠ করে আমরা আমাদের দায়িত্ব- কর্তব্য সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হবে।
এছাড়াও সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে আমরা সামাজিক সমস্যা সমাধানের উপায় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারব। সমাজজীবনে শিল্পায়ন ও নগরায়ণের প্রভাব, বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনা কীভাবে, কতটা ফলপ্রসূ করা যাবে সমাজবিজ্ঞান পাঠ করে আমরা সে সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারব। অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতাগুলো কী, কীভাবে তা দূর করা সম্ভব এবং কীভাবে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে এ ব্যাপারে সঠিক জ্ঞান লাভ করতে সক্ষম হব। এদেশের কৃষির বৈশিষ্ট্য, কৃষি কাঠামো ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞানলাভের মাধ্যমে কৃষির উন্নয়নে সমস্যা সমাধানে সঠিক পথ নির্দেশনা আমরা সমাজবিজ্ঞান পাঠ করে জানতে পারব। পরিশেষে বলা যায়, সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে আমরা একজন সমাজসচেতন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সমর্থ হব।