উদ্দীপকে উল্লিখিত তিহামের পঠিত বিষয়টি হচ্ছে সমাজবিজ্ঞান। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সমাজবিজ্ঞানের প্রায়োগিক দিক নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো :
উদ্দীপকে দেখা যায়, তিহাম যে বিষয়টিতে পড়ছে সেটি মানুষের একত্রে বসবাসের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করে। বিষয়টি মূল্যবোধ নিরপেক্ষভাবে যৌথ জীবন, কার্যাবলী এবং পারস্পরিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে। বিষয়টি পাঠের মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কেও সচেতন হওয়া যায়। যা মূলত সমাজবিজ্ঞান বিষয়কে ইঙ্গিত করে।
সমাজবিজ্ঞান সমাজ কাঠামোর অন্তর্গত বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, মূল্যবোধ, সামাজিক কার্যাবলীসহ সমগ্র সমাজের পূর্ণাঙ্গ অধ্যায়ন করে। সমাজের গবেষণায় মূল্যবোধ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে বিভিন্ন সামাজিক দায়িত্বকর্তব্য সম্পর্কে সমাজবিজ্ঞান প্রত্যক্ষ নির্দেশনা প্রদান করে। যার ফলে সমাজের সদস্যরা আত্মসচেতন ও শ্রেণীসচেতন হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সমাজবিজ্ঞানের বিভিন্ন প্রায়োগিক দিক রয়েছে। যেমন সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশের সামাজিক পরিবেশ সম্পর্কে জানা যাবে। এছাড়াও সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা যেমন - বেকারত্ব, বাল্যবিবাহ, মাদকাসক্তি প্রভৃতির কারণ ও সমাধানের পথ বস্তুনিষ্ঠ সমাজবিজ্ঞান অনুশীলনের মাধ্যমে জানা সম্ভব।
তাই বলা যায়, বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সমাজবিজ্ঞান বিষয়টির নানামুখী প্রায়োগিক দিক বিদ্যমান।